Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Chakdaha

চাকদহে জোড়া দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, ঘরে ‘আত্মঘাতী’ কলেজ ছাত্রী, রাস্তায় পড়ে যুবকের দেহ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মদনপুরের মৃত কলেজ ছাত্রীর নাম বৃষ্টি বারুই। বয়স ১৯। তরুণী চাকদহ থানার মদনপুরের আলাইপুর তেঁতুলতলা এলাকার বাসিন্দা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৪:২৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
চাকদহে জোড়া দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, ঘরে ‘আত্মঘাতী’ কলেজ ছাত্রী, রাস্তায় পড়ে যুবকের দেহ zoom
প্রতীকী ছবি।

মঙ্গলবার চাকদহে (Chakdaha) উদ্ধার জোড়া দেহ! মদনপুর এলাকায় কলেজছাত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তরুণীকে তড়িঘড়ি কল্যাণী জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। প্রাথমিক অনুমান, ওই ছাত্রী আত্মঘাতী হয়েছেন। ময়নাদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্য়ুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়ছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, চাকদহ থানার অর্ন্তগত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির গলায় ফাঁস দেওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছে। দেহের পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ঘটনা দু’টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মদনপুরের মৃত কলেজ ছাত্রীর নাম বৃষ্টি বারুই। বয়স ১৯। তরুণী চাকদহ (Chakdaha) থানার মদনপুরের আলাইপুর তেঁতুলতলা এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমাতে চলে যান বৃষ্টি। এ দিন সকালে অনেকক্ষণ তাঁকে ঘর থেকে বেরতে দেখেননি পরিবারের সদস্যরা। পরে ডাকাডাকির করলেও সাড়া মেলেনি। পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন, কলেজ পড়ুয়া শাড়ির ফাঁস দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী করে মৃত্যু? তরুণী আত্মঘাতী হয়ে থাকলে তিনি কেন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন? তা নিয়ে ধোঁয়াশা। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

অন্যদিকে নদিয়ার চাকদহ থানার অন্তর্গত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এক অজ্ঞাতপরিচিত ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। জয়কৃষ্ণপুর এলাকায় রাস্তার ধারে দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তারাই খবর দেন পুলিশে। মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁর হাতে ‘সন্তোষ’ লেখা একটি উল্কি রয়েছে। কী করে রাস্তার ধারে ওই ব্যক্তির দেহ এল? তাঁকে অন্য জায়গায় খুন করে দেহ জাতীয় সড়কের ধারে ফেলে যাওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.