Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Darjeeling

খারাপ আবহাওয়ায় দার্জিলিংয়ে বন্ধ টয় ট্রেন, রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে বইছে নদীর জল

সিকিম-দার্জিলিং যোগাযোগ এই মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ২০:২২

options
link
খারাপ আবহাওয়ায় দার্জিলিংয়ে বন্ধ টয় ট্রেন, রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে বইছে নদীর জল zoom
রাস্তা দিয়ে বইছে নদীর জল। নিজস্ব চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলছে পাহাড়ে। দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ পার্বত্য জেলাগুলিতে আরও দিন কয়েক ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। এই পরিস্থিতিতে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং টয় ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের পরিচালক ঋষভ চৌধুরীর মতে, আবহাওয়া বিভাগ আরও ১৮ দিন খারাপ আবহাওয়া থাকবে বলে হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে। খারাপ পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় ধস নামার সম্ভাবনাও থাকছে। সেজন্য নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অন্যান্য ট্রেন চলাচল করবে বলে খবর।

সিকিম পাহাড়জুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা। ১২ নম্বর রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে নদীর জল বইতে শুরু করেছে। সিকিম-দার্জিলিং যোগাযোগ এই মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে খবর। অবরুদ্ধ জাতীয় সড়কে প্রচুর সাধারণ যাত্রী ও পর্যটক। সিকিমের ২০ মাইল বারদাংয়ে ভূমিধসে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো-সিংতাম রোড অবরুদ্ধ হয়েছে। সিকিম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ জারি করেছে।

Advertisement

তবে কেবল সিকিম নয়, ভুটান পাহাড়েও প্রবল বৃষ্টির জেরে ডুয়ার্সের ভোগান্তি বেড়েছে। ভুটানের পাগলা খোলার জল ঝাপিয়ে পড়ায় ধসে গিয়েছে ভারত-ভুটান সীমান্তের দেওয়াল। প্লাবিত হয়েছে ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের জিতি চা বাগান এলাকা। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভুটানজুড়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রবল। একদিকে দার্জিলিং, কালিম্পং ও সিকিম পাহাড়ে ভারী বৃষ্টির জেরে যেমন তিস্তা, জলঢাকা মহানন্দা নদীর জলস্তর বাড়ছে। অন্যদিকে ভুটান পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির ফলে ফুসতে শুরু করেছে তোর্সা, কালজানি, রায়ডাক, সংকোশ নদী।

নাগরাকাটা ব্লকের জিতি চা বাগানের ৮ নম্বর লাইনের শ্রমিক মহল্লা ভুটানের জলে ভেসেছে। এখানে বেশ কিছু শ্রমিক পরিবারকে উদ্ধার করে নিরাপদ এলাকায় সরানো হয়েছে। তিস্তা নদী সংলগ্ন জলপাইগুড়ি জেলার বাসুসুবা, চাতরাপাড়ের শতাধিক পরিবার তিস্তা বাধে আশ্রয় নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। তিস্তা, মহানন্দা নদীতে জল ক্রমে বাড়ছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.