Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Katwa

রাজ্য সড়কে পড়ুয়াদের খাঁচাবন্দি করে ছুটছে টোটো! দুর্ঘটনার আশঙ্কায় কাঁটা অভিভাবকরা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকার কয়েকটি বেসরকারি নার্সারি স্কুলের পড়ুয়াদের যাতায়াতের জন্য এই ধরনের টোটো ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৭:২২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৭:২২

options
link
রাজ্য সড়কে পড়ুয়াদের খাঁচাবন্দি করে ছুটছে টোটো! দুর্ঘটনার আশঙ্কায় কাঁটা অভিভাবকরা zoom
বিপজ্জনক ভাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পড়ুয়াদের।
Advertisement

রাজ্যসড়ক ধরে ১২-১৩ জন শিশুকে নিয়ে ছুটছে লোহার খাঁচা-বাঁধানো টোটো। কচিকাঁচা পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারই মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটে দেখা গেল উদ্বেগ বাড়িয়ে দেওয়ার মতো ছবি। লোহার খাঁচা তৈরি করে তার ভিতরে ১২-১৩ জন শিশুকে গাদাগাদি করে বসিয়ে রাজ্য সড়ক ধরে ছুটছে টোটো। বাইরে থেকে গেট লাগানো সেই টোটো দেখলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠছে। পথচারী থেকে বাসচালক-অনেকেই এমন দৃশ্য দেখে কার্যত আতঙ্কিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকার কয়েকটি বেসরকারি নার্সারি স্কুলের পড়ুয়াদের যাতায়াতের জন্য এই ধরনের টোটো ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ টোটোকে গ্যারাজে নিয়ে গিয়ে তার পিছনের অংশে লোহার কাঠামো তৈরি করে বাড়ানো হয়েছে। ভিতরে পুলকারের আদলে আসন তৈরি করে একসঙ্গে ১২-১৩ জন পড়ুয়াকে বসানো হচ্ছে। তারপরে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে নতুনহাট-কাটোয়া রাজ্য সড়ক ধরে চলছে সেই টোটো।

Advertisement

স্থানীয়দের আশঙ্কা, কোনও কারণে টোটোটি উল্টে গেলে বা দুর্ঘটনার কবলে পড়লে খাঁচার ভিতরে থাকা শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে অল্পবয়সি শিশুদের নিয়ে এ ভাবে যাতায়াত কতটা নিরাপদ, তা নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন। মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের বাসিন্দা টোটোচালক শেখ লালবাবু এমনই একটি টোটো চালান। তাঁর দাবি, “গ্যারাজে টোটো নিয়ে গিয়ে আমরাই লোহার খাঁচা তৈরি করিয়েছি। যাতে বাচ্চারা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। নতুনহাটের একটি বেসরকারি স্কুলে আমাদের ছ’টি টোটো রয়েছে। প্রত্যেকটিতেই এই ধরনের খাঁচা করা আছে। একটি টোটোয় ১২-১৩ জন করে পড়ুয়া যায়। চার বছর ধরেই চলছে।”

শুধু মঙ্গলকোট নয়, কাটোয়া মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত আসন তৈরি করা টোটোয় স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াতের অভিযোগ রয়েছে। কেতুগ্রামের কয়েকটি বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ছবি দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয়দের। এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষেরও দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, শিশুদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে খরচ কমানোর চেয়ে নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.