Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Naihati

নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে অর্জুন-যোগ! ভিনরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার আরও ১, এখনও অধরা মূলচক্রী

এনিয়ে নৈহাটির বিধায়কের অভিযোগ, খুনের পর অর্জুন সিংই খুনিদের ভিনরাজ্যে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫, ১৯:২২

options
link
নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে অর্জুন-যোগ! ভিনরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার আরও ১, এখনও অধরা মূলচক্রী zoom
নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে ধৃত রঞ্জিত সাউ।

অর্ণব দাস, বারাকপুর: নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনার প্রথম দিন থেকেই অর্জুন সিংয়ের দিকে আঙুল তুলেছিল দল। তাঁরই মদতে অভিযুক্তরা খুনের পর ভিনরাজ্যে গা-ঢাকা দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নৈহাটির বিধায়ক সনৎ দে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ৬ দিনের মাথায় ভিনরাজ্য থেকে দ্বিতীয় অভিযুক্ত রঞ্জিত সাউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর তাতেই বিধায়কের অভিযোগে কার্যত সিলমোহর পড়ল। শুক্রবার ধৃতকে বারাকপুর আদালতে পেশ করা হলে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন বারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুর জানালেন, “ধৃতের নাম এফআইআরে ছিল। তাকে ভিনরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি বলা যাবে না।”

গত ৩১ জানুয়ারি, শুক্রবার নৈহাটির গৌরীপুর এলাকায় টোটো করে যাওয়ার সময় বাইক নিয়ে তৃণমূল কর্মী সন্তোষ যাদবের উপর হামলা চালায় ৬ দুষ্কৃতী। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তারা দুটি বাইকে এসেছিল। তার মধ্য়ে একটি বাইকে বসা তিনজনের মধ্যে মূল অভিযুক্ত রাজেশ সাউ ছিল মাঝে, তার পিছনে বসেছিল ধৃত রঞ্জিত সাউ। সন্তোষকে টোটো থেকে নামিয়ে রাস্তায় ফেলে ইট দিয়ে থেঁতলে খুনের পর চম্পট দেয় তারা। এই ঘটনায় আগেই অক্ষয় গণ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এবার ধৃত রঞ্জিত। মোট দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল অভিযুক্ত রাজেশ-সহ বাকিরা এখনও অধরা। পুলিশ তাদের খোঁজে তৎপর।

Advertisement

পুলিশি তদন্তের উপর আস্থা রেখে ভিনরাজ্য থেকে অভিযুক্তর গ্রেপ্তার হওয়ার প্রসঙ্গে ফের অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে। তিনি জানিয়েছেন, “অর্জুন সিং মানেই বিহার, উত্তরপ্রদেশ যোগ। দ্বিতীয় অভিযুক্ত রঞ্জিত ভিনরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার হওয়া তারই প্রমাণ। আমার অনুমান, রাজেশকে দিয়ে খুন করিয়ে অর্জুন সিং বাকি অভিযুক্তদেরও ভিনরাজ্যে লুকিয়ে রেখেছে।” পালটা জবাবে অর্জুন সিং জানিয়েছেন, “পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকতেই আমার বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে। বিজেপির ২২ জন কর্মী, সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর-সহ লুটপাট চালানো হল। এর বিরুদ্ধে কেন পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.