জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বিজেপিকে নিশানা করে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেই চলেছেন বারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক। বাগদার বিজয়া সম্মিলনীতে বিজেপি নেতাদের বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। আর রবিবার গোপালনগর ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত বিজয়ার অনুষ্ঠানে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ”এসআইআরের নামে যদি কোনও বৈধ ভোটারের নাম ওরা বাদ দেয়, পাড়ায় পাড়ায় বিজেপি নেতাদের কোমরে গামছা জড়িয়ে আটকে রেখে বলবেন, আগে নাম তোল, তারপরে কথা হবে।”
পার্থবাবুর আরও হুঁশিয়ারি, ”বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে যত বড় বড় নেতা দিল্লি থেকে আসুক না কেন, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বে বাংলায় গণ আন্দোলনের আগুন ছড়াবে৷” গোপালনগরের সভায় উপস্থিত কর্মী ও সমর্থকদের দুর্গাপুজোয় অসুরবধের কাহিনি মনে করিয়ে বলেন, ”মা দুর্গা কি কখনো অসুরদের সঙ্গে থাকে? মা দুর্গা সবসময় মানুষের সঙ্গে থাকে৷”
পার্থ ভৌমিকের বক্তব্যের পালটা দিয়েছেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। তাঁর কথায়, ”পার্থবাবুর বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়েছে। উনি বলছেন, কারও নাম বাদ গেলে আমাদের নেতাদের কোমরে গামছা জড়িয়ে বেঁধে রাখতে। বৈধ ভোটারদের নাম কেন বাদ যাবে? সেটা উনি ভাবছেনই না। আর উনি যে নিদান দিচ্ছেন, তার পালটাও হতে পারে। অর্থাৎ ওঁদের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। তৃণমূল মানেই তো তাই, সন্ত্রাস ছড়ানোর দল।” উল্লেখ্য, রাজ্যে এসআইআর হওয়া নিয়ে তোড়জোড় চলছে। এর তীব্র বিরোধিতা করেছে শাসকদল তৃণমূল। এনিয়ে লাগাতার প্রচার চলছে। নেতানেত্রীরা বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে জনতাকে সতর্ক করছেন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে। আর তাঁদের মন্তব্য ঘিরে মাঝেমধ্যেই ছড়াচ্ছে বিতর্ক।
সর্বশেষ খবর
-
মা ‘আম গাছ’, বাবা ‘শাল’! পরিবারের মৃত সদস্যদের নাম বৃক্ষরোপণ করে জনজাতি সমাজ
-
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ‘গ্যাংস্টার’ মনুর
-
স্বরূপের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই কোণঠাসা শ্রীলেখা! গ্রেপ্তারির পরই ফাঁস টেকনিশিয়ান স্টুডিওর অন্দরের কাহিনি
-
কেরলে ঢুকেছে বর্ষা, শুক্রে বাংলার আকাশও মেঘের দখলে, ভ্যাপসা গরম থেকে এবার রেহাই?
-
ফের পদ্মায় পড়ে গেল যাত্রীবাহী বাস! দুর্ঘটনা দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে