Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ghatal Master Plan

‘মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল হবেই’, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আশাবাদী দেব

খুব শীঘ্রই নদী ও খালগুলির ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে বলেই জানান দেব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৫, ১৪:০৭

options
link
‘মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল হবেই’, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আশাবাদী দেব zoom

শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল হবেই, ফের জানিয়ে দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব। ঘাটাল শহরের টাউন হলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে এক বৈঠকে যোগ দেন তিনি। বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী শিউলি সাহা, দুই বিধায়ক মমতা ভূঁইয়া ও অরূপ ধাড়া, মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস প্রমুখ। বৈঠক শেষে দেব বলেন, “যেভাবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ এগোচ্ছে আমি সন্তুষ্ট। অনেকটা কাজ এগিয়েছে। খুব শীঘ্রই নদী ও খালগুলির ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। বেশ কয়েকটি কংক্রিটের সেতুর জায়গা পরিদর্শনের কাজ চলছে। আমি নিশ্চিত, যথাসময়েই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শেষ হবে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে দিদি আমাকে কথা দিয়েছিলেন। কথা রাখছেন দিদি।” ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইস্কুল মাঠে ঘাটাল লোকসভা সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতেও যোগ দেন দেব। ঘাটাল উৎসব ও শিশুমেলা কমিটি গঠনের সভায় যোগ দেন। মেলা কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস ও যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন দেব ও পুর চেয়ারম্যান তুহিনকান্তি বেরা।

বলে রাখা ভালো, ঘাটাল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমির লীলাভূমি হিসাবে পরিচিত। তখনকার আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলস্বরূপ স্থানীয় ভূস্বামীরা এই নদীগুলির বন্যা ঠেকাতে সার্কিট বাঁধ দিয়ে নিজেদের জমিদারিতে নিচু এলাকাগুলিকে বন্যা থেকে বাঁচিয়ে আবাদি জমি বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। সেই জমিদারি জমানা আর নেই। কিন্তু জমিদারি বাঁধগুলি আজও রয়ে গিয়েছে। এই জমিদারি বাঁধগুলি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। তার ফলে বাঁধগুলি ভেঙেই মূলত ঘাটাল এলাকায় বন্যা দেখা দেয় ফি বছর। উলটোদিকে জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদী বাঁধ উপচে ছড়িয়ে পড়তে না পেরে নদীতেই জমতে থাকে পলি মাটি।

Advertisement

ফলে নদীর জলধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আর ফি বছর বন্যা প্রবণতাও বাড়তে থাকে। এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ভাবনা। কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ভোটের আগে রাজ্যের তরফে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আর বানভাসি হতে হবে না ঘাটালবাসীকে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আরামবাগে দেবকে পাশে বসিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বাস দেন, রাজ্য সরকারের টাকায় তা বাস্তবায়িত করে। দেবের ‘আবদার’ মেনে ওই টাকা দেওয়া হবে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে এগোচ্ছে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.