Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Durgapur

স্বামী তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা, বউয়ের অন্নপূর্ণা ফর্মে উল্লেখ যৎসামান্য আয়! সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল আবেদনপত্র

তদন্তের দাবি বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুইয়ের।

Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৬:৫৬

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৬:৫৬

options
link
স্বামী তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা, বউয়ের অন্নপূর্ণা ফর্মে উল্লেখ যৎসামান্য আয়! সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল আবেদনপত্র zoom
দুর্গাপুর নগর নিগমের তৃণমূলের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য ধর্মেন্দ্র যাদব। ছবি: সনাতন গরাই।

তৃণমূল জমানায় প্রভাবশালী ধর্মেন্দ্র যাদব। তিনি দুর্গাপুর নগর নিগমের তৃণমূলের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য ও প্রাক্তন প্রশাসক মণ্ডলীর ভাইস চেয়ারম্যান। তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা হিসেবেই এলাকায় নামডাক। তাঁর স্ত্রীর তাঁর স্ত্রী স্বপ্না যাদবের অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে লেখা বার্ষিক আয় ৬০ হাজার টাকা! আবেদনপত্র রীতিমতো ভাইরাল সোশাল মিডিয়ায়। তদন্তের দাবি বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুইয়ের।

তৃণমূল নেতার স্ত্রীর ‘ভুয়ো’ তথ্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে অভিযোগ বিরোধীদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আবেদনপত্রে দেখা যাচ্ছে, অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্রে বার্ষিক পারিবারিক আয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র ৬০ হাজার টাকা। একসময় তৃণমূলের অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ধর্মেন্দ্র যাদবকে দলের প্রায় প্রতিটি সভা, মিছিল ও কর্মসূচির প্রথম সারিতে দেখা যেত। তিনি দুর্গাপুর নগর নিগমের ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পরে তিনি মেয়র পরিষদ সদস্য হন। দুর্গাপুর নগর নিগমের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য প্রথমে করা হলেও পরে ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃণমূল জামানায় ঝুরি ঝুরি পদ পাওয়ার পরেও সেই পরিবারের এত কম আয়ের দাবি ঘিরেই এখন উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপি সরকার কোনও রাজনৈতিক রং না দেখে সকলকেই প্রকল্পের সুবিধা দিচ্ছে। তাই সবাই আবেদন করছেন। কিন্তু একজন প্রাক্তন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির পরিবারের বার্ষিক আয় মাত্র ৬০ হাজার টাকা এটা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের বিষয়। বিষয়টি প্রশাসনের তদন্ত করা উচিত।” যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধর্মেন্দ্র যাদব। তাঁর দাবি, “আমি বর্তমানে বেকার। আমার কোনও আয় নেই। আমাকে নিয়ে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.