একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় নাম জড়িয়েছিল। তৃণমূল জমানায় তাঁর টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই এলাকা ছাড়া। কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধানকে হন্যে খুঁজছিল পুলিশ। পালিয়ে বাঁচার শতচেষ্টা করেও শেষরক্ষা হয়নি। রবিবার রাতে লাভপুরের একটি এলাকা থেকে মামন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার তাঁকে আদালত পেশ করার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে আছড়ে পড়ে জনবিস্ফোরণ। আদালত চত্বরে তাঁকে নিয়ে পৌঁছতেই পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে চলে ব্যাপক ডিম-বৃষ্টি। পুলিশ গাড়ির দরজা খুলতেই ধৃত তৃণমূল নেতাকে রীতিমতো হাইজ্যাক করে বেদম মারধর করতে থাকে উত্তেজিত জনতা। পুলিশ কোনওক্রমে ধৃত নেতাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলেও উন্মত্ত জনতা পরপর কিল-ঘুষি-চড় মারতে থাকেন। ধৃতকে প্রহার থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশেরও উপর ডিম পড়ে।

ধৃত কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের জমি দখল করে নেওয়া, তৃণমূল কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে মারধর করা, জরিমানা করা, বাড়িঘর লুটপাট ভাঙচুর ও তার সঙ্গেই প্রচুর মহিলাদের সঙ্গে দুষ্কর্ম করার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলাও রয়েছে। সেই বিষয়ে তদন্ত করেছিল সিবিআই। কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতে একাধিক দুর্নীতির সঙ্গেও নাম জড়িয়েছে মামন শেখের। তাই এদিন আদালতে নিয়ে আসার সময় কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামের মানুষজন আদালত চত্বরে জড়ো হয়েছিলেন। তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এদিন দেখা যায় আদালত চত্বরে।
সর্বশেষ খবর
-
‘২০০ শতাংশ যোগ্যতা অর্জন করব’, জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইস্টবেঙ্গল কোচ
-
যে কোনও মুহূর্তে ফেটে যাবে হ্রদের পাড়! বিপর্যস্ত নেপালকে নতুন শঙ্কার কথা শোনাল চিন
-
ধার করা ব্যাটে ক্রিকেট শুরু, ভারতের বিরুদ্ধে ৩ সেঞ্চুরি করা সোনালই শ্রীলঙ্কার নতুন হিরো
-
আর লাল টুকটুকে মাংসের ঝোল বিক্রি নয়! নিয়ম ভাঙলেই জরিমানা রেস্তরাঁর
-
‘বাড়ি বিক্রি করে সবার টাকা দিয়েছি’, সমালোচনার জবাবে বললেন জি গ্রুপের প্রাক্তন কর্ণধার