Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
TMC Leader Arrested in Bhadreswar

পুরসভা থেকে নথি লোপাট! গ্রেপ্তার ইন্দ্রনীল ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বরের ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ

বৃহস্পতিবারই ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান-সহ আট কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছিলেন।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২০:১২

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ২০:১২

options
link
পুরসভা থেকে নথি লোপাট! গ্রেপ্তার ইন্দ্রনীল ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বরের ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ zoom
গ্রেপ্তার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বরের ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ খান, নিজস্ব ছবি

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একের পর এক পুরসভায় ভাঙন। সেইসঙ্গে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে দলে দলে তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারি। এমনকী পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীও জেলবন্দি। এবার আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার হলেন শুক্রবার। এলাকায় অশান্তিতে উসকানি, পুরসভা থেকে নথি লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ ফিরোজ খান নামে ভাইস চেয়ারম্যানকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তারি। শনিবার চন্দননগর আদালতে পেশ করা হবে।

২০২২ সালের পুরসভা ভোটে জিতেছিলেন তেলিনিপাড়ার ফিরোজ খান। তাঁকে ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিল তৃণমূল। চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন ফিরোজ। তাতেই তাঁর ওই পদপ্রাপ্তি বলে অভিযোগ উঠেছিল। ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ করেন যে, পুরসভা থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাট করেছেন। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২২ সালের পুরসভা ভোটে জিতেছিলেন তেলিনিপাড়ার ফিরোজ খান। তাঁকে ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিল তৃণমূল। চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন ফিরোজ। তাতেই তাঁর ওই পদপ্রাপ্তি বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে সেসব নস্যাৎ করে দিব্যি পুরসভায় নিজের দাপট চালাচ্ছিলেন ফিরোজ।

Advertisement

তাঁর বিরুদ্ধে দিন কয়েক আগে তেলিনিপাড়ায় অশান্তি পাকানো, পুরসভার ঝামেলায় উসকানির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ করেন যে, পুরসভা থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাট করেছেন। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চন্দননগরের ডিসিপি জানিয়েছেন, ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে আরও যে নানা অভিযোগ রয়েছে, সেসব খতিয়ে দেখা হবে।

বৃহস্পতিবার ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী সহ আট তৃনমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন। ২২ ওয়ার্ডের ভদ্রেশ্বর পুরসভা ছিল বিরোধী শূন্য।তবে বিধানসভা নির্বাচনে তৃনমূলের ভরাডুবি হতেই পরিস্থিতি বদল হতে শুরু করে। পুরসভা নির্বাচনের অনেক আগেই ভদ্রেশ্বর পুরসভার বোর্ড ভেঙে গেল, তা বলা যেতেই পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.