Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Panihati lynching case

তৃণমূল কাউন্সিলরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! ১১ বছরের পুরনো গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাজাঘোষণা

বাকি তিনজনকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৫:৪৭

options
link
তৃণমূল কাউন্সিলরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! ১১ বছরের পুরনো গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাজাঘোষণা zoom
১১ বছরের পুরনো গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাজাঘোষণা। নিজস্ব চিত্র

অর্ণব দাস, বারাকপুর: তৃণমূল কাউন্সিলরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। মঙ্গলবার ১১ বছর আগে পানিহাটিতে গণপিটুনি মামলায় সাজাঘোষণা করল বারাকপুরের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত। শুধু কাউন্সিলর নন, আরও পাঁচজনকেও সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত বাকি তিনজনকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত।

গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় দশ বছর পর গত শুক্রবার শেষ হয় বিচার প্রক্রিয়া। পানিহাটি পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর-সহ ৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে বারাকপুর আদালত। ওইদিন আদালতে উপস্থিত হতেই কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  আজ সাজাঘোষণা করা হল। তারক গুহ, নেপাল গুহ, জয়দেব মুখোপাধ্যায়, শ্যামল দাস ও হরিপদ সরকারকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনজন বেকসুর খালাস পেয়েছেন। ২ জন এখনও পলাতক।

Advertisement

ঘটনা ২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের। পানিহাটি এলাকায় শম্ভু চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে ১০ জনের বিরুদ্ধে। তাতে নাম জড়ায় ১১ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর তারক গুহরও। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে শুরু হয় মামলা। ১০ বছর ধরে বারাকপুরে তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক অয়নকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে। এই মামলায় এফআইআর, চার্জশিটে নাম থাকা সত্ত্বেও কাউন্সিলর তারক গুহ এতদিন ছিল কারাগারের বাইরে। বারবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও সে এড়িয়ে গিয়েছে। এরপর শুক্রবার কড়া নির্দেশে আদালত চত্বরে তারক পা রাখতেই তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এদিন তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত। তবে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতেই পারে সে।

এদিকে আদালতের রায়ে খুশি মৃতের স্ত্রী জ্যোৎস্না চক্রবর্তী। বলেন, “আদালত যে রায় দিয়েছে তাতে আমার স্বামীর আত্মা শান্তি পেয়েছে। আদালতের রায়ে আমি এবং আমার পরিবার খুশি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.