সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: মাত্র তিন মিনিটের বিধ্বংসী ঝড়। তার জেরে কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বিধানসভার দুটি গ্রাম। ভাঙল একাধিক বাড়ি। বড় বড় গাছ উপড়ে ভেঙে পড়ল বহু জায়গায়। বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার। ঝড়ের পরই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কাজে নেমে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও প্রশাসন।
নিম্নচাপের জেরে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। আরও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এদিন সকাল থেকে আকাশের মুখভার। সকাল আনুমানিক ন’টা নাগাদ রায়দিঘির দুটি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেল ঝড়। অন্যান্য দিনের মতো এদিন সকালেই প্রাত্যহিক কাজকর্মে ব্যস্ত ছিলেন গায়েনেরঘেরি ও কুমড়োপাড়া দুই গ্রামের বাসিন্দারা।

সেসময় ওই ঝড় বয়ে যায়। মিনিট তিনেকের ওই ঝড়ে কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে এলাকা। ঝড়ের বেগে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি। বহু বাড়ির টালির চাল ভেঙে পড়েছে। টিন ও অ্যাসবেসটরের চাল উড়ে যায়। বহু বাড়ির দেওয়াল ভেঙে পড়ে। ঝড়ের তীব্রতায় ভেঙেছে বহু বিশালাকার গাছ। গাছ ভেঙে বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে একাধিক জায়গায়। ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। গাছ পড়ে বহু রাস্তা আটকে পড়ে। ফলে যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রায়দিঘি থানার পুলিশ। মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের বিডিও মহম্মদ সাজির হোসেন জানিয়েছেন, ঝড়ের প্রভাবে দুটি গ্রামের ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় পঞ্চায়েতকে ত্রাণ, শুকনো খাবার, ত্রিপল পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রিপল, ত্রাণ বিলির ব্যবস্থা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য কাজ শুরু করেছে বিদ্যুৎদপ্তরের কর্মীরা। স্থানীয় পঞ্চায়েতের তরফ থেকে গাছ কাটার কাজ চলছে। রাস্তা পরিষ্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। ঝড়ের প্রভাবে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর এখনও আসেনি।
সর্বশেষ খবর
-
আত্মনির্ভরতায় জোর, জলে ভাসল গার্ডেনরিচে তৈরি ‘শ্রুতি’, কতটা শক্তিশালী নৌবাহিনীর এই জাহাজ?
-
গুটিকয়েক কর্মীর বেতন দিতেই মাসিক ৫১ লক্ষ! সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল কালীঘাট তৃণমূলের খরচের বহর
-
শ্রীলঙ্কাতেও তাড়া করছে অস্ট্রেলিয়ার জুজু! টেস্টের আগে বিশেষ আবদার গম্ভীরদের, সুযোগ পাবেন নবি?
-
৯৬ ঘণ্টা পার, এখনও বাংলাদেশে আটকে জলপাইগুড়ির চাষি, দীপঙ্করের পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ
-
রক্তের জোগান, খরচ ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা, একটি সামাজিক দায়