বিক্রম রায়, কোচবিহার: মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে ঝিনুক কুড়োতে গিয়েছিল তিনজন। আচমকা পা পিছলে ধরলা নদীতে পড়তেই বিপত্তি। নদীতে ডুবে প্রাণ গেল তিনজনের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহারের মাথাভাঙার হাসানের ঘাট এলাকায় শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার সকালে জোরপাটতি হাসানের ঘাট এলাকায় ওই তিনজন যায়। ধরলা নদীতে ঝিনুক কুড়োতে গিয়েছিল তারা। পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। তাদের আর্ত চিৎকারে দৌড়ে আসেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে এলাকাবাসী। নদী থেকে একে একে তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। ওই তিনজনতে তড়িঘড়ি মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা দুই শিশুকে মৃত বলে জানান। আরেক শিশুর কিছুক্ষণ চিকিৎসা করা হয়। যদিও পরে মৃত্যু হয় তারও।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “তিনজন নদীতে নেমেছিল। কিছুদূর যেতেই একজন তলিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বাকি দুজনও তলিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত কাউকেই বাঁচানো যায়নি। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা।” স্থানীয় বাসিন্দা গজেন দাসও এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ। তিনি বলেন, “তিন শিশু তলিয়ে যাচ্ছে শুনে আমরা দৌড়ে আসি। তিনজনকেই উদ্ধার করা হয়। কিন্তু বাঁচাতে পারা যায়নি কাউকে।” এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের