Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

স্বপ্নাদেশে দূরারোগ্য ব্যধি নিরাময়! রাঢ়েশ্বর শিবের অজানা কাহিনি শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে

দুর্গাপুরের প্রাচীন মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম রাঢ়েশ্বর মন্দির। বিগত কয়েক দশক পেরিয়েও আজও অমলিন বাবা রাঢ়েশ্বরের মাহাত্ম্য।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:৫৫

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:৫৫

options
link
স্বপ্নাদেশে দূরারোগ্য ব্যধি নিরাময়! রাঢ়েশ্বর শিবের অজানা কাহিনি শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে zoom
দুর্গাপুরের রাঢ়েশ্বর শিব মন্দির।
Advertisement

শ্রাবণের প্রথম সোমবার। সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে রাঢ়েশ্বর শিবের থানে। কেউ কাঁধে বাঁক নিয়ে, আবার কেউ কলসিতে গঙ্গাজল নিথে দীর্ঘ পথ হেঁটে মন্দিরে পৌঁছে গিয়েছেন পুণ্যার্থীরা। রাঢ়েশ্বর শিব মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থানই নয়, অসংখ্য ভক্তের আস্থা ও বিশ্বাসের কেন্দ্রস্থলও বটে। দুর্গাপুরের প্রাচীন মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম রাঢ়েশ্বর মন্দির। বিগত কয়েক দশক পেরিয়েও আজও অমলিন বাবা রাঢ়েশ্বরের মাহাত্ম্য। মন্দিরের নেপথ্যে কাহিনি শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও। 

রাঢ়েশ্বর শিবের মাহাত্ম্য
সেন রাজবংশের অন্যতম শাসক রাজা বল্লাল সেন একসময় এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই সময় রাজ্যের নামকরা কবিরাজদের ডাকা হলেও, কেউই তাঁর রোগ সারাতে সক্ষম হননি। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরও যখন কোনও ফল মেলেনি, তখন রাজা প্রাণপণে দেবাদিদেব মহাদেবের শরণাপন্ন হন। কথিত আছে, স্বয়ং মহাদেবই নাকি তাঁকে স্বপ্নে দর্শন দিয়ে রোগমুক্তির উপায় বল দেন। এরপরই স্বপ্নাদেশ মেনে দুর্গাপুরের কাঁকসার আড়াতে কালদিঘি পুকুরের পাড়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রাঢ়েশ্বর শিব মন্দির। সেই সময় থেকেই ওই স্থানে নিয়মিত পূজার্চনা ও বিশেষ করে সন্ধিক্ষণে শিবপূজার প্রচলন শুরু হয়, যা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছেন ভক্তরা।

Advertisement
রাঢ়েশ্বর মন্দির চত্বরে সকাল থেকেই ভক্তের ঢল। ছবি: সনাতন গরাই।

শ্রাবণ মাস এলেই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ঢল। শ্রাবণের প্রতিটি সোমবারে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী এখানে আসেন। কেউ কাঁধে বাঁক নিয়ে, আবার কেউ কলসিতে গঙ্গাজল জল বহন করে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে মন্দিরে পৌঁছন। ভক্তিভরে মহাদেবের শিবলিঙ্গে জল নিবেদন করে পুজো দেন। এবারও শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার থেকেই মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল। ভোর থেকেই ভক্তদের দীর্ঘ লাইন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও ভক্তদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা এবং ভিড় সামলাতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে নির্বিঘ্নে সকল ভক্ত পুজো দিতে পারেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.