Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Katwa

প্রেমের প্রস্তাবে ‘না’, চলন্ত বাসে কিশোরীর গলা কেটে খুন, কাটোয়ায় যুবকের যাবজ্জীবন

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা কার্যকর হওয়ার পর পর কাটোয়া মহকুমা আদালতে এটাই প্রথম কোনও মামলার সাজা ঘোষণা করা হল।

Advertisement
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১৭:৫৮

link
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১৭:৫৮

options
link
প্রেমের প্রস্তাবে ‘না’, চলন্ত বাসে কিশোরীর গলা কেটে খুন, কাটোয়ায় যুবকের যাবজ্জীবন zoom
ফাইল ছবি।

প্রেম প্রস্তাবে সায় ছিল না কিশোরীর। তাতেই প্রতিবেশী নাবালিকাকে খুন যুবকের। চলন্ত বাসে গলা কেটে খুনের দায়ে তাকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও একবছর কারাদণ্ডের নির্দেশ।  এ দিন শুক্রবার কাটোয়া ফাস্ট ট্রাক কোর্টের বিচারক রুদ্রপ্রসাদ রায় কাটোয়ার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ইজাজুল শেখ ওরফে বাবু নামে ওই যুবককে এই সাজা শোনান। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা কার্যকর হওয়ার পর পর কাটোয়া (Katwa) মহকুমা আদালতে এটাই প্রথম কোনও মামলার সাজা ঘোষণা করা হল।

ঘটনাটি ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের। কেতুগ্রামের কুমোরপুরের কাছে একটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। কাটোয়ার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা আরসিদা খাতুন (১৫) ওরফে জ্যোতি নামে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে গলা কেটে খুন করে ইজাজুল। ওই কিশোরী মাসির বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন। মাসি শম্পা বিবি, দিদিমা সাহিদা মল্লিক ও মাসির ৫ বছরের ছেলে এবং জ্যোতি আরনা ফেরার জন্য কুমোরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস ধরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাসটি প্রায় এক কিলোমিটার যাওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে জ্যোতির গলা কেটে দেয় ইজাজুল। যাত্রীদের চিৎকার শুনে বাস থামান চালক। তখনই পিছনের গেট খুলে রক্তমাখা ছুরি হাতে নেমে চম্পট দেয় যুবক। অন্যদিকে রক্তাক্ত অবস্থায় কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ওই ঘটনার পর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। নামানো হয় স্নিফার ডগ। ড্রোন দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। দিনভর চলে চিরুনি তল্লাশি। সন্ধ্যা নাগাদ ধানখেতের মাঝে জলকাদার মধ্য থেকে ধরা পড়ে ইজাজুল। মৃতের মাসি শম্পা বিবি ইজাজুলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারের পর থেকে পুলিশ হেফাজত ও পরে পুলিশ হেফাজতেই ছিল যুবক। ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মামলার চার্জ গঠন করা হয়। শুনানি পর্বে মোট ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে এ দিন বিচারক সাজা ঘোষণা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.