Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Duars

চুপিসাড়ে পালাল কর্তৃপক্ষ! ডুয়ার্সে ফের বন্ধ চা বাগান, পুজোর আগে কর্মহীন প্রায় ২ হাজার শ্রমিক

বাগান বন্ধের কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ১৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ১৮:৩৫

options
link
চুপিসাড়ে পালাল কর্তৃপক্ষ! ডুয়ার্সে ফের বন্ধ চা বাগান, পুজোর আগে কর্মহীন প্রায় ২ হাজার শ্রমিক zoom
চা বাগানের দরজার সামনে শ্রমিকরা। নিজস্ব চিত্র

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: ফের বন্ধ হয়ে গেল ডুয়ার্সের আরও একটি চা বাগান। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় ২ হাজার শ্রমিক। পুজোর আগে কাজ হারিয়ে মাথায় হাত শ্রমিক পরিবারগুলির। বাগান বন্ধের কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিক সংগঠনের নেতারা উচ্চমহলকে বিষয়টি অবগত করেছেন বলে খবর।

ডুয়ার্সের আমবাড়ি চা বাগানে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার কর্মী আছেন। গত কয়েক মাস ধরে ডুয়ার্সের একাধিক চা বাগান বন্ধ হয়েছে। হাজার হাজার কর্মী কাজ হারিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় আমবাড়ি চা বাগানও যুক্ত হল। এদিন সকালে শ্রমিকরা ওই বাগানে কাজের জন্য গিয়েছিলেন। বাগান বন্ধ থাকতে দেখা যায়। শ্রমিকরা দেখেন কারখানার গেট খোলা। কিন্তু অফিস চত্বর তালাবন্ধ। বাগানের ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, কোনও কর্মীরই দেখা পাওয়া যায় না। কিছু সময় পরেই খবর ছড়িয়ে পড়ে চুপিসাড়ে বাগান ছেড়ে চলে গিয়েছে মালিক কর্তৃপক্ষ। শ্রমিকদের পাওনাগণ্ডাও বাকি আছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশ ক্ষোভ ছড়াতে থাকে শ্রমিকদের মধ্যে।

Advertisement

ওই বাগানে স্থায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ১২৫০। বাকি শ্রমিকরা অস্থায়ী হিসেবে কাজ করেন। কাজ হারিয়ে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। বাড়িতে ছোট ছেলেমেয়েরা আছে। তাদের জন্য অন্নসংস্থান কীভাবে হবে? কীভাবে সংসার চলবে? সেই প্রশ্নও ওঠে। বাগানের শ্রমিক রেশমা বরাইক চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, “পুজোয় ছেলেমেয়ের জামাকাপড় কিনব ভেবেছিলাম। হাতে এক পয়সাও নেই। এবার কী খেয়ে থাকব?” অনেকেই ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাজার থেকে বাকিতে চাল-ডাল কিনে ফেলেছেন। এখন কীভাবে সেই টাকা পরিশোধ হবে, সেই চিন্তা ঘিরে ধরেছে শ্রমিকদের। খবর পেয়ে চা শ্রমিক সংগঠনের নেতা বিধান সরকার ও বাবন গোপ বাগান এলাকায় গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অবগত করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিবিআইটিএ-র কাছেও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে চাপ সৃষ্টি করা হবে। এই আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.