Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Tamluk Content Creator

কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যুর পরই আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর! তমলুকে উত্তেজনা

কী কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, কেনই বা জীবন শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন তাঁর স্বামী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৬:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৬:৩২

options
link
কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যুর পরই আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর! তমলুকে উত্তেজনা zoom
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা শাসমল ও তাঁর স্বামী মনোজিৎ। ছবি: ফেসবুক
Advertisement

ফের আরেক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের রহস্যমৃত্যু। সায়নী চক্রবর্তীর পর এবার মৃত্যু হল সীমা দাস শাসমলের। এই ঘটনায় তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করেছে পুলিশ। স্ত্রীর মৃত্যুর পরই আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তাঁর স্বামী মনোজিৎ। বর্তমানে ওই যুবক তমলুকের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন। কী কারণে মৃত্যু হল সীমার, কেনই বা আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন মনোজিৎ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Content-Creator-2
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা ও তাঁর স্বামী। ছবি: ফেসবুক

সীমা দাস শাসমল সোশাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত মুখ। ৪ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ার তাঁর। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থানার পায়রাচালি গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা দাস শাসমল রাসায়নিক খেয়ে নেন। পরিবারের লোকজন বেশ কিছুক্ষণ পর ঘটনাটি জানতে পারেন। তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে চণ্ডীপুর চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তাতে শেষরক্ষা হয়নি। শনিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের। রবিবার সীমার দেহ তমলুক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement

সেই সময় বেশ কয়েকটি কাগজপত্রের প্রয়োজন ছিল। তা নিতে গিয়ে পরিবারের লোকজন দেখেন একটি ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। ধাক্কাধাক্কি দেওয়ার পরেও কারও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরে দেখা যায়, ওই ঘরের মধ্যে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন মনোজিৎ। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করা হয়। তমলুকের ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয় মনোজিৎকে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনও তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। সীমার মৃত্যুর ঘটনায় তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুমামলা রুজু হয়েছে। যদিও চণ্ডীপুর থানায় দুই পরিবারের তরফে কেউই এখনও অভিযোগ দায়ের করেনি। কী কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, কেনই বা জীবন শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন মনোজিৎ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সীমার মৃত্যুতে মনখারাপ তাঁর বহু অনুরাগীর। ঘটনার প্রকৃত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.