শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সোমবার দুপুরে অশান্ত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি জাফরাবাদে নিহতদের বাড়িতেও যান তিনি। শোনেন আক্রান্তদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা। সেখানে এনআইএ তদন্ত ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবিতে সুকান্তর সামনেই বিক্ষোভ দেখান জাফরাবাদের মহিলারা।
জাফরাবাদে মৃত হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের বাড়িতে পৌঁছনোর পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যে সরকারি আর্থিক সাহায্যে দশ লক্ষ টাকা তাঁরা নেবেন না বলেই ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি এদিন এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব হন পরিবারের সদস্যরা। নিহতদের পরিবারের দাবি, গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্যাম্প বসুক।

এদিন সুকান্ত মজুমদার মুখ্যমন্ত্রীকে এই গ্রামে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী এলে তবেই তিনি বুঝবেন এখানে কী ঘটেছে। সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, “এখানে আগে বিএসএফ ক্যাম্প ছিল। তবে বামেদের সরকারের আমলে তুলে দেওয়া হয়। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করব এখানে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। এখানে স্থানীয় হিন্দু সমাজকে নিজেদের আত্মরক্ষা করার ব্যবস্থা করতে হবে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অভিযোগ, “মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ কোর্টের সামনে গিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছে। ওয়াকফ একটা অজুহাত ছিল। আগে মুর্শিদাবাদ জেলাতে অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমরা মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াব। তবে লজ্জার ঘটনা এই ঘটনার সময় একজন এসডিপিও-র বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হয়।”
সর্বশেষ খবর
-
টোল প্লাজায় ধাক্কা এলপিজি ট্যাঙ্কারের, ভয়ংকর বিস্ফোরণে পুড়ে ছাই ৫! প্রকাশ্যে হাড়হিম ভিডিও
-
সলমনের গ্যালাক্সির বাইরে গুলিবৃষ্টির ঘটনায় নয়া মোড়, আত্মসমর্পণের আবেদন গ্যাংস্টার আনমোলের
-
পরনে আইনজীবীর পোশাক, অবশেষে শ্রীরামপুর থানায় হাজিরা অপরূপার
-
অফিস থেকে লুকিয়ে চা-বিস্কুট নিয়ে গিয়েছিলেন বাড়ি! জানাজানি হতেই বরখাস্ত ১৭ বছরের পুরনো কর্মী, তারপর…
-
১১ বছরের বালকের হাতে স্টিয়ারিং! থাইল্যান্ডে তীর্থযাত্রী ৯ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পিষে মারল ট্রাক