Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Bongaon

ছাত্রের দুষ্টুমিতে শাসন কেন? ‘সবক’ শেখাতে বেল্ট খুলে প্রধান শিক্ষক, ক্লাস টিচারকে পেটালেন বাবা!

ক্লাসে ছাত্ররা হই-হট্টগোল করায় কয়েকজনকে বকাবকি, শাসন করেছিলেন শিক্ষক। ছেলে দুষ্টুমি করলেও কেন শাসন করা হয়েছে? স্কুলে ঢুকে প্রধান শিক্ষক ও ক্লাস টিচারকে বেল্ট খুলে পেটালেন ছাত্রের বাবা!

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৯:১৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
ছাত্রের দুষ্টুমিতে শাসন কেন? ‘সবক’ শেখাতে বেল্ট খুলে প্রধান শিক্ষক, ক্লাস টিচারকে পেটালেন বাবা! zoom
প্রধান শিক্ষক, ক্লাস টিচারকে পেটালেন বাবা!
Advertisement

ক্লাসে ছাত্ররা হই-হট্টগোল করায় কয়েকজনকে বকাবকি, শাসন করেছিলেন শিক্ষক। ছেলে দুষ্টুমি করলেও কেন শাসন করা হয়েছে? স্কুলে ঢুকে প্রধান শিক্ষক ও ক্লাস টিচারকে বেল্ট খুলে পেটালেন ছাত্রের বাবা! ঘটনায় স্কুলের শিক্ষকরা আতঙ্কিত। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ছাত্রদের কি এখন শাসন করার অধিকারটুকুও থাকবে না শিক্ষক-শিক্ষিকাদের? ন্যক্কারজনক ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর।

বনগাঁর গোপালনগর থানার হরিপদ ইন্সটিটিউশন যথেষ্ঠ নামী স্কুল। আজ, সোমবার ওই স্কুলেই এমন ঘটনা ঘটেছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওই স্কুলে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন চলছিল। বাংলার শিক্ষক অরুণ দাস ক্লাসরুমেই ওই রেজিস্ট্রেশনের কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেসময় ক্লাসেই একাদশ শ্রেণির কয়েকজন পড়ুয়া হইহল্লা, গোলমাল করছিল। বারণ করার পরেও না থামায় বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষক ছাত্রদের ‘শাসন’ করেন। এরপরই বেলায় ওই স্কুলে এক অভিভাবক আসেন। ওই শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষককে বেল্ট দিয়ে মারধর করা হয়!

Advertisement

অভিযোগ, এদিন বেলায় অভিভাবক দেবব্রত দাস ওই স্কুলে আসেন। কেন ছেলেকে শাসন করা হয়েছে? সেই প্রশ্ন তুলে চেঁচামেচি করতে থাকেন তিনি। প্রধান শিক্ষক সমরেশচন্দ্র মণ্ডলের ঘরে ঢুকে যান। সেখানেও গোলমাল করেন তিনি! এরপরই আচমকা ওই অভিভাবক কোমরের বেল্ট খুলে বাংলার শিক্ষককে মারতে শুরু করেন! প্রধান শিক্ষক তাঁকে রক্ষা করতে গিয়েছিলেন বাংলার। তাঁকেও একইভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। স্কুলের শিক্ষকরা শেষপর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে ধরে নিরস্ত করেন। শিক্ষক অরুণবাবু বলেন, “ছাত্ররা অশোভন আচরণ করায় আমি দু-একজন ছাত্রকে শাসন করি৷ এরপরেই এক ছাত্র বাবা দেবব্রত দাসকে ফোন করে স্কুলে ডাকে। তিনি প্রধান শিক্ষকের ঘরে আচমকা ঢুকে পড়ে৷ দু-একটি কথা বলেই কোমর থেকে বেল্ট খুলে আমাকে মারতে থাকে। প্রধান শিক্ষক ঠেকাতে গিয়ে তিনিও বেল্টের আঘাতে আহত হন।”

প্রধান শিক্ষক সমরেশচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আমরা আতঙ্কিত। স্কুলে ছাত্রদের ন্যূনতম শাসন করতে হয় শৃঙ্খলারক্ষার জন্য৷ তাতেই দেবব্রত দাস নামে এক ছাত্রের অভিভাবক এসে অরুণ বাবুকে বেল্ট দিয়ে মারতে থাকে। আমি ঠেকাতে গেলে আমাকেও মারে৷ আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।” তাঁর আরও দাবি, “এরকম হলে স্কুলে পঠনপাঠন চালানো অসম্ভব হয়ে যাবে। পুলিশের কাছে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আবেদন করেছি।” পুলিশ ওই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.