Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Durgapur

দুর্গাপুরের ভাঙা হল নেহরুর মূর্তি! ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন’, পুলিশকে ডেডলাইন কংগ্রেসের

বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ জেলা কংগ্রেসের। পালটা বিধায়ক বললেন, 'চোরা' তৃণমূলীদের কাজ।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৯:৩৮

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
দুর্গাপুরের ভাঙা হল নেহরুর মূর্তি! ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন’, পুলিশকে ডেডলাইন কংগ্রেসের zoom
৩০ আগস্ট, রবিবার। দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ভেঙে ফেলা হল জঙ্গলে। ছবি: সনাতন গড়াই
Advertisement

এবার আক্রান্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু! দুর্গাপুরে (Durgapur) তাঁর সুবিশাল মূর্তি ভেঙে ফেলে দেওয়া হল জঙ্গলে! বিজেপির বিরুদ্ধে এমন দুষ্কর্মের অভিযোগ তুলে সুর চড়াল জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব। পুলিশের উদ্দেশে তাদের হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই মূর্তি স্বস্থানে প্রতিস্থাপিত করতে হবে, অন্যথায় কংগ্রেস বড় আন্দোলনে নামবে। যদিও কংগ্রেসের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজা স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কংগ্রেসের একটি গোষ্ঠী ‘চোরা’ তৃণমূল করছে, তারাই মূর্তি ভেঙেছে। এর সঙ্গে বিজেপির যোগ নেই। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে রাজীব গান্ধীর মূর্তি বাঁচিয়েছেন বলে দাবি।

দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে রয়েছে একটি মেডিটেশন সেন্টার। ওই সেন্টারের সামনেই পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বিশাল মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা দরকার ছিল। তাই ক্রেন দিয়ে মূর্তিটি তুলে স্কুলের পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

নেহরুর ভাঙা মূর্তি উদ্ধারে নিজেই হাত লাগান জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী, ছবি: সনাতন গড়াই

দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে রয়েছে একটি মেডিটেশন সেন্টার। ওই সেন্টারের সামনেই পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বিশাল মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা দরকার ছিল। তাই ক্রেন দিয়ে মূর্তিটি তুলে স্কুলের পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে কংগ্রেস। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে কেন এমন অবমাননা? কেন মূর্তি এভাবে নষ্ট করা হল? কংগ্রেসের জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী রীতিমতো ঝাঁজাল সুরে বলেন, “নেহরুর মূর্তিটি ক্রেন দিয়ে উপড়ে এভাবে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে রাখিবন্ধনের অনুষ্ঠান হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়কও ছিলেন। নেহরুর এই অপমান আমরা মানব না। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।”

Advertisement
দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে রয়েছে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে জেলা কংগ্রেসের বিক্ষোভ, ছবি: সনাতন গড়াই

দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কংগ্রেসের দুটো গোষ্ঠী রয়েছে। একটা গোষ্ঠী চোরাভাবে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। আর তৃণমূলীরাই জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ফেলে দিয়েছে। প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেস। দেবেশ চক্রবর্তীকে একটু স্মর করিয়ে দি, একবার এভিএল কার্যালয়ের সামনে তিন, চারটি ইউনিয়নের অফিস ভাঙা হয় এডিডিএ-র উদ্যোগে। আর আমার হস্তক্ষেপে রাজীব গান্ধীর মূর্তিটা থেকে যায়, কেউ ভাঙেনি। নেহরুর মূর্তি ভাঙার পিছনেও বিজেপি নেই। দেখুন কারা এসব করেছে। আমরাও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.