Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Birbhum MLA

‘ভালো তৃণমূল’ সমর্থনের উপহার! কাজল, চন্দ্রনাথ সহ বীরভূমের ৫ বিধায়কের নিরাপত্তা বাড়াল রাজ্য

ঋতব্রতকে সমর্থন করা বিধায়কদের মধ্যেই আছে বীরভূমের পাঁচ বিধায়কও। তার পরপরই জেলার ওই পাঁচ বিধায়কের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে রাজ্য সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ০৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ০৯:১৬

options
link
‘ভালো তৃণমূল’ সমর্থনের উপহার! কাজল, চন্দ্রনাথ সহ বীরভূমের ৫ বিধায়কের নিরাপত্তা বাড়াল রাজ্য zoom
বীরভূমের ৫ বিধায়কের নিরাপত্তা বাড়ল। ফাইল ছবি।

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই বদলে যেতে শুরু করেছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমীকরণ। একসময়ের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এখন বিরোধী আসনে। সেখানেও গদি চলমল। অভিষেকের বিরুদ্ধে রব হয়ে ‘হাঁড়ি আলাদা’ করেছে দলের বিধায়কদেরই একাংশ। তার প্রভাব পড়েছে বীরভূম জেলার রাজনীতিতেও। জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র পাঁচটি আসনই নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সরকারি পালাবদল হতেই যখন তৃণমূলের একাধিক নেতা বিধায়কদের একে একে নিরাপত্তা প্রত্যাহার হয়েছে। সেই আবহে বীরভূমের বিধায়কদের ক্ষেত্রে উলটপুরাণ।

ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজ্যের ২৯৪ আসনের মধ্যে ৮০ টিতেই ঘাসফুল ফুটেছে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে রাজ্যের তাবড়, তাবড় নেতা-মন্ত্রীদের সিংহভাগেরই ধরাশায়ী অবস্থা হয়েছে। তবে ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূলের ফাটলও চওড়া হয়েছে। দল বিরোধী আচরণের জন্য ঋতব্রত-সন্দীপনরা তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বাদ পড়তেই বিধায়কদেরই একাংশ নাম লিখিয়েছে ‘ভালো তৃণমূল’ দলে। ৮০ বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থনও জানিয়েছেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে ওই পদ দেওয়া হয়। ঋতব্রতকে সমর্থন করা বিধায়কদের মধ্যেই আছে বীরভূমের পাঁচ বিধায়কও। তার পরপরই জেলার ওই পাঁচ বিধায়কের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রত্যেক বিধায়কের জন্য অতিরিক্ত দু’জন করে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। যাঁদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে তাঁরা হলেন, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা হাঁসন বিধায়ক কাজল শেখ, নলহাটি বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং, মুরারই বিধায়ক মোশারফ হোসেন, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বোলপুর বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা এবং নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি।

Advertisement

বিধানসভায় ভরাডুবির পর তৃণমূলের পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরেছে। যা খবর তাতে এরপর সংসদীয় দলে ভাঙনও অবধারিত। যা শোনা যাচ্ছে, তাতে লোকসভার দুই তৃতীয়াংশ সাংসদও তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যেতে চলেছেন। বাংলায় যে বিদ্রোহ হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে, সেই একই বিদ্রোহ দিল্লিতে হতে পারে কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নেতৃত্বে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.