Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Malda News

মায়ের মৃতদেহ লুকনো ছিল ছাদে! রাতের অন্ধকারে পাচারের সময় হাতেনাতে পাকড়াও ‘গুণধর’ ছেলে

মায়ের মৃতদেহ সকলের নজর এড়িয়ে তিনদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছিল ছাদে! পরে রাতে বাড়ির সব আলো নিভিয়ে মৃতদেহ চুপিসাড়ে নামিয়ে পাচারের চেষ্টা চলছিল। সেসময় হাতেনাতে ধরা পড়ে যান গুণধর ছেলে! পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

Advertisement
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৬:১০

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৬:১০

options
link
মায়ের মৃতদেহ লুকনো ছিল ছাদে! রাতের অন্ধকারে পাচারের সময় হাতেনাতে পাকড়াও ‘গুণধর’ ছেলে zoom
আটক বড়ছেলে। ছবি সৌজন্যে এআই।

মায়ের মৃতদেহ সকলের নজর এড়িয়ে তিনদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছিল ছাদে! পরে রাতে বাড়ির সব আলো নিভিয়ে মৃতদেহ চুপিসাড়ে নামিয়ে পাচারের চেষ্টা চলছিল। সেসময় হাতেনাতে ধরা পড়ে যান গুণধর ছেলে! পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আটক করা হয়েছে ছেলে কৃষ্ণ দাসকে। মাকে কি খুন করা হয়েছে? সেই প্রশ্নও উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ (Malda) শহরে।

মৃতার নাম লক্ষ্মী দাস। মালদহ শহরের বালুচর এলাকার মুচিপাড়ায় নিজের বাড়িতেও থাকতেন তিনি। স্বামী পুলিশ কনস্টেবল পদে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ছোটছেলে বিকাশ বাবার চাকরি পান। তিনি বর্তমানে মালদহ জেলা সংশোধনাগারে কর্মরত। বড়ছেলে কৃষ্ণ দাস অন্য পেশায় যুক্ত। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক ধরেই বছর ৫৫ বয়সী লক্ষ্মী দাসকে দেখা যাচ্ছিল না।

Advertisement

শুক্রবার রাতে বড়ছেলে ওই বাড়ি সম্পূর্ণ অন্ধকার করে ছাদ থেকে মায়ের মৃতদেহ নামিয়ে আনছিলেন! সেসময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে ইংরেজবাজার থানায় জানায়। দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তিনতলার ছাদে মৃতদেহ রাখা ছিল। প্রাথমিক অনুমান, মৃতদেহটি বেশ কয়েক দিন ধরে ছাদেই রাখা ছিল। গতকাল রাতের অন্ধকারে দেহ নামিয়ে আনা হচ্ছিল।

কিন্তু কেন এমন কাজ করল ছেলে? মায়ের মৃত্যুর কথা আগে জানানো হল না কেন? ছাদেই বা আড়াল করে রেখে রাতে পাচারের চেষ্টা চলছিল? তাহলে কি এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়? খুন করা হয়েছে ওই প্রৌঢ়াকে? একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে। পুলিশ সব বিষয় খতিয়ে দেখছে। বড়ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। ওই এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার পলি সরকারের অভিযোগ, “দুই ছেলেই মদ্যপ অবস্থায় থাকেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ভালো ছিল না। খুব খারাপ ব্যবহার করতেন। ছেলেরা অসুস্থ মাকে দেখাশোনা করতেন না। দোলের সময় থেকে বাড়িতে মহিলা একাই থাকতেন।” কাউন্সিলর আরও জানান, এদিন প্রতিবেশীরা দেখেন ওই বৃদ্ধার বড় ছেলে কৃষ্ণ দাস মায়ের নিথর দেহ তিনতলার ছাদ থেকে একতলায় নামিয়ে নিয়ে আসছেন। তা দেখে সন্দেহ হয় এলাকার মানুষদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.