নিত্যদিন সংসারে মা-ছেলের মধ্যে অশান্তি লেগে থাকত! সেই অশান্তির জেরে মা’কেই খুন করে গা ঢাকা দিয়েছিল ‘গুণধর’ ছেলে! তাও রক্ষা পাওয়া গেল না। ভিন জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। মোবাইলের টাওয়ারের লোকেশন ট্র্যাক করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম আতাউল্লাহ গাজি। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানার গোকর্নি এলাকায় খুন হয়েছিলেন আকিলা গাজি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর ৬০ বয়সী আকিলা গাজির তিন ছেলে। দুই ছেলে কর্মসূত্রে বাইরে থাকে। ছোটছেলে আতাউল্লাহ মায়ের সঙ্গেই থাকত। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, একাধিক কারণে প্রায়শই মা-ছেলের মধ্যে ঝগড়া-অশান্তি হত! শুক্রবারও সেই অশান্তি শোনা গিয়েছিল। পরে উদ্ধার হয় বৃদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ। অভিযোগ ওঠে, ছেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা’কেই কুপিয়ে খুন করে পালিয়েছে। মগরাহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। শুরু হয় তদন্ত। অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয় বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি।
আরও পড়ুন:
অভিযুক্তের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করা শুরু হয়। এছাড়াও গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় নদিয়া জেলায় অভিযুক্ত গা ঢাকা দিয়ে আছে। সেই কথা জানতে পারে পুলিশ। এরপরই মগরা থানার পুলিশ নদিয়া রওনা দেয়। গতকাল অভিযুক্তকে নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতকে নিয়ে আসা হয়েছে মগরা থানায়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। যুবককে আজ, রবিবার ডায়মন্ড হারবার মহকুমার আদালতে পেশ করা হয়। খুনের আসল কারণ কী? সেই তথ্য জানার জন্য ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হবে। এমনই পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। অভিযুক্তের দাদা শালাউল্লা গাজি বলেন, “আমি কর্মসূত্রে দুবাইয়ে থাকি। এই চারদিন হয়েছে আমি বাড়িতে এসেছি। প্রায় সময় মায়ের সঙ্গে ওর ঝামেলা লেগে থাকত। মা’কে প্রায় সময় হুমকি দিত। তারপর এই ঘটনা ঘটিয়েছে। চাই ওর যাবজ্জীবন সাজা হোক।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কিমের দেশে জিনপিং! ইরান-ইউক্রেনে আমেরিকার বিরুদ্ধে ময়দানে নামছে চিন-কোরিয়া?
-
পন্থকে ‘সেন্সার’, তিন নম্বরে কে? আফগান টেস্টের আগে দল নিয়ে ইঙ্গিত গম্ভীরের
-
বিদেশে ঘুরতে গিয়েই ফের কাছাকাছি শাকিব-বুবলি, তৃতীয়বার বাবা হলেন সুপারস্টার! পুত্র না কন্যা এল ঘরে?
-
ব্যান কালচারের হোতা! ‘ইন্ড্রাস্টিকে বরবাদ করেছেন’, স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারিতে মুখ খুললেন লকেট
-
কোটি টাকা নিয়েও অভিনয় করেননি! এবার সোহমের বিরুদ্ধে এফআইআর চারু মার্কেট থানায়