Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Anubrata Mondal

বিপদ বাড়ল অনুব্রতর, টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ, তদন্ত শুরু সিউড়ি পুলিশের

অনুব্রত মন্ডল ছাড়াও জীবন কৃষ্ণ সাহা-সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গের ২ টি জামিন অযোগ্য ধারাও রয়েছে।

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:২৪

link
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:২৪

options
link
বিপদ বাড়ল অনুব্রতর, টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ, তদন্ত শুরু সিউড়ি পুলিশের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আরও বিপদ বাড়ল একসময়ের বীরভূমের ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ। ঋতব্রত তৃণমূলের বীরভূমের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করল বীরভূমের সিউড়ি থানার পুলিশ। আদালতের নির্দেশে শুরু হয়েছে এই তদন্ত। সিউড়ি সিজেএম আদালতকে সেই মর্মে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিউড়ি থানার পুলিশ। অনুব্রত মন্ডল ছাড়াও জীবন কৃষ্ণ সাহা-সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গের ২ টি জামিন অযোগ্য ধারাও রয়েছে।

চলতি বছরের গত ১১ জুন অনুব্রত মণ্ডল, জীবন কৃষ্ণ সাহা, বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি রাজা ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের নামে সরাসরি আদালতে অভিযোগ করেন কল্যাণ ঘোষ নামে ওই ব্যাক্তি।

জানা গিয়েছে, সদাইপুর থানার সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা জনৈক কল্যাণ ঘোষ গত ১১ জুন সিউড়ির সিজেএম আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়নি। অভিযোগপত্রে সরাসরি যারা টাকা নিয়েছিলেন, সেই প্রসেনজিৎ ঘোষ, তন্দ্রা ঘোষ ও উত্তম ঘোষের নাম রয়েছে। পাশাপাশি যাদের নাম ভাঙিয়ে এবং প্রভাব খাটিয়ে এই টাকা নেওয়া হয়, সেই তিনজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, বড়ঞাঁর প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি রাজা ঘোষ। সব মিলিয়ে ছ’জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement

অভিযোগ পাওয়ার পর আদালত সিউড়ি থানাকে তদন্ত করে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। প্রথমে ১৯ জুন রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করেনি। পরে ২ জুলাই পুনরায় রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হলেও নানা কারণে সে দিনও তা আদালতে জমা পড়েনি। ফলে বিচারক আবারও সিউড়ি থানাকে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি-সংক্রান্ত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন। সেই মতো সিউড়ি থানার জমা দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশেই শুরু হয়েছে মামলা।

জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী কল্যাণ ঘোষ ও তাঁর আত্মীয়ের কাছে থেকে জীবনকৃষ্ণ ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তিন ব্যক্তি ২০১৭ সালে দফায় দফায় প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা নেয় প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি দেওয়ার জন্য। তাদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ থেকে সরকারি নিয়োগপত্রও দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও পোস্টিং-এর জায়গা উল্লেখ না থাকায় তাঁদের নিয়োগ হয়নি। তাঁদের বলা হয়, নির্দিষ্ট অঙ্কের আরও কিছু টাকা দিলে তবেই পোস্টিং পাবেন তাঁরা। এরপরই ২০১৭ সালেই এই নিয়ে সিউড়ি থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তখন কোনও অভিযোগ নেয়নি বলে অভিযোগ। চলতি বছরের গত ১১ জুন অনুব্রত মণ্ডল, জীবন কৃষ্ণ সাহা, বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি রাজা ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের নামে সরাসরি আদালতে অভিযোগ করেন কল্যাণ ঘোষ নামে ওই ব্যাক্তি। অভিযোগ টাকা নিয়ে চাকরি না পাওয়া – এই অভিযোগের শুনানিতে সিউড়ি থানার পুলিশের কাছে রিপোর্ট চায় বীরভূমের সিউড়ি সিজেএম আদালত। তারপরই গত ১৭ জুলাই মামলা রুজু করে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.