‘তারাতলার বিভীষিকা’ প্রায় কেড়েছে ১৭ শ্রমিকের! নির্মীয়মাণ গোডাউনের পরিকল্পনাতেই গলদ। তা ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। বেআইনি নির্মাণের আড়ালে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি আঁচ করতে পেরেই এবার প্রাক্তন মেয়র ফিরদাহ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি ধৃত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। সূত্রের খবর, রবিবার ভরদুপুরে আচমকাই ধৃত কালীচরণকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর হাওড়ার বাড়িতে পৌঁছে যান সিটের তদন্তকারীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, শিবপুরের দীনু মাস্টার লেনে বাড়ি সংস্কারের জন্য দীর্ঘদিন কালীচরণ তাঁর পরিবার নিয়ে কাছেই একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। সেই ফ্ল্যাটেই রবিবার তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, কালীচরণের ফ্ল্যাটে বিল্ডিংয়ের প্ল্যান সংক্রান্ত কোনও নথি পাওয়া গেলেও যেতে পারে। যা তদন্তের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে। এদিন বাড়ির তালা খুলতে তদন্তকারীদের সঙ্গে একজন চাবিওয়ালাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, হেফাজতে পেতেই কালীচরণকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। মোটা টাকা নিয়ে ত্রুটিপূর্ণ প্ল্যান তৈরিতে আর কারা জড়িত? কালীর সুপারিশে কতগুলি প্ল্যানে অনুমোদন দিয়েছিল পুরসভা? গোয়েন্দাবিভাগ সূত্রে খবর, এরকম একাধিক ম্যারাথন জেরার মুখে কালী মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, হেফাজতে পেতেই কালীচরণকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। কী পদ্ধতিতে প্ল্যানের অনুমোদন দেওয়া হত? অনুমোদন দেওয়ার পর নজরদারির কি ব্যবস্থা থাকত আদৌ? মোটা টাকা নিয়ে ত্রুটিপূর্ণ প্ল্যান তৈরিতে আর কারা জড়িত? কালীর সুপারিশে কতগুলি প্ল্যানে অনুমোদন দিয়েছিল পুরসভা? প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে যে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এসেছে, এই টাকা সরাসরি কি কালী নিতেন? না কি হাত ঘুরে কালী ও তার সহযোগীরা পেতেন? গোয়েন্দাবিভাগ সূত্রে খবর, এরকম একাধিক ম্যারাথন জেরার মুখে কালী মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন।
তদন্তকারীদের অনুমান, শুধুমাত্র তারাতলা নয়, কালীচরণের সুপারিশে এমন আরও অনেক বিল্ডিংয়ের ত্রুটিপূর্ণ প্ল্যানও হয়তো পুরসভার অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে। সেই সমস্ত নথি হাতে পেতে এবার কালীচরণের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে পৌঁছে যায় সিটের তদন্তকারীরা।
প্ল্যান অনুমোদন থেকে আর্থিক লেনদেন, কালীর ভূমিকা ও প্রভাব জানতে মরিয়া লালবাজারের কর্তারা। সূত্রেক খবর, পুলিশে হেফাজতে জেরার মুখে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতেই চাননি কালীচরণ। জেরায় অসহযোগিতার অভিযোগ প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি-র বিরুদ্ধে। প্ল্যান সংক্রান্ত তথ্য পেতে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের সঙ্গেও যোগাযোগ করে লালবাজার। তদন্তকারীদের অনুমান, শুধুমাত্র তারাতলা নয়, কালীচরণের সুপারিশে এমন আরও অনেক বিল্ডিংয়ের ত্রুটিপূর্ণ প্ল্যানও হয়তো পুরসভার অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে। সেই সমস্ত নথি হাতে পেতে এবার কালীচরণের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে পৌঁছে যায় সিটের তদন্তকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের