Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
SIR in West Bengal

‘বাংলাদেশি’ বিতর্কে পদচ্যুত, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তৃণমূলের সেই লাভলি খাতুন

এর আগে খসড়া তালিকাতেও মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের নাম ছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

Advertisement
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ২১:১১

link
বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ২১:১১

options
link
‘বাংলাদেশি’ বিতর্কে পদচ্যুত, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তৃণমূলের সেই লাভলি খাতুন zoom
হরিশ্চন্দ্রপুরের রসিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান লাভলি খাতুন।

এসআইআরের ‘আজব খেলা’য় যোগ্য, অযোগ্য, বিচারাধীন ভোটার – সবই গোলমাল হয়ে গিয়েছে একলহমায়। নাম বাতিলের তালিকায় এমন কিছু নাম, যা হওয়ার কথা ছিল না। আবার বিচারাধীন বা অমীমাংসিত ভোটারদের নামেও যথেষ্ট চমক। খসড়া তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও ‘বাংলাদেশি’ বিতর্কে পদচ্যুত তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান লাভলি খাতুন চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’! 

‘বাংলাদেশি’ লাভলি খাতুনের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’। নিজস্ব ছবি

হরিশ্চন্দ্রপুরে রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান লাভলি খাতুন তৃণমূলের সদস্য। তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে একাধিক বিতর্ক ওঠে। লাভলি ভারতীয় নন, বাংলাদেশের নাগরিক, পাসপোর্ট ছাড়া ভারতে ঢুকে অবৈধভাবে বসবাস করছেন – এসব অভিযোগে বিরোধীরা প্রশ্ন তোলে, কীভাবে নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চায়েত প্রধানের পদে বসেছেন? তবে বিতর্কের আবহে তৃণমূল তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়। এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও হয়। রাজ্যে এসআইআর শুরু হওয়ার পর গুঞ্জন উঠেছিল যে লাভলির নাম ভোটার তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়ে। কিন্তু গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, লাভলি খাতুনের নাম বাদ যায়নি। কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আপাতত ঝুলে রইল তাঁর ভোটার-ভাগ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

খসড়া তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও ‘বাংলাদেশি’ বিতর্কে পদচ্যুত তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান লাভলি খাতুন চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’! 

লাভলির নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য বলছে, ২০১৫ সালে ভারতে লাভলির ভোটার কার্ড ইস্যু হয়। ২০১৮ সালে ইস্যু হয় বার্থ সার্টিফিকেট। আসল নাম নাসিয়া শেখ। নথিতে নাসিয়ার বাবার নাম শেখ মুস্তাফা লেখা হয়। কিন্তু বাবার আসল নাম জামিল বিশ্বাস বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এবিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হলে লাভলি খাতুনের জাতিগত শংসাপত্র ‘জাল’ প্রমাণিত হয়। পরে মহকুমা শাসকের নির্দেশে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল। পদ, জাতিগত শংসাপত্র খোয়ানোর পর এবার অনিশ্চিত হয়ে পড়ল লাভলির নাগরিকত্ব। শনিবার প্রকাশিত হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় লাভলির নামে লেখা – ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.