Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

আইনের ঊর্ধ্বে মানবতা! পুরুলিয়ায় অসুস্থ মালহারদের বসতিতে SIR শুনানি বিডিও-র

নানান নথিপত্র দেখেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৩:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৩:৪৫

options
link
আইনের ঊর্ধ্বে মানবতা! পুরুলিয়ায় অসুস্থ মালহারদের বসতিতে SIR শুনানি বিডিও-র zoom
অসুস্থ বৃদ্ধ দম্পতির ঝুপড়ির বাড়িতে এসআইআর শুনানিতে আড়শার বিডিও গোপাল সরকার। ছবি: দীপক রাম।

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: নির্বাচন কমিশনের আইনের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিকতার পরিচয় দিলেন বিডিও। পুরুলিয়ার আড়শার চাটুহাঁসা চাটানে মালহার উপজাতি পরিবারদের বসবাস। সেখানে এক মালহার দম্পতি-সহ ওই উপজাতির আরেকজন অসুস্থ থাকায় আড়শা
ব্লক কার্যালয়ে বুধবার শুনানিতে আসতে পারেননি। তাই এদিন আড়শার বিডিও গোপাল সরকার আধিকারিকদেরকে নিয়ে চাটুহাঁসা চাটানের ঝুপড়িতে গিয়ে শুনানি করেন। টিপ সই নিয়ে নানান নথিপত্র দেখেন। তবে সব প্রয়োজনীয় নথিপত্র তাঁরা দেখাতে পারেননি বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর।

কালু মালহার ও তাঁর স্ত্রী চক্রবর্তী মালহার এবং পড়শি লঙ্কেশ্বর মালহারের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণেই তাঁদের শুনানিতে ডাক পড়েছিল। ব্লক প্রশাসনের তরফে এদিন দুপুরে তাঁদের আড়শা ব্লক কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল। আধিকারিকরা জানতে পারে, ওই উপজাতি পরিবারের তিনজন অসুস্থ।

Advertisement

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের বিধি রয়েছে যাঁদের বয়স ৮৫ বছর। তাদের কেউ শুনানিতে আসতে না পারলে পরিবারের কোনও সদস্য সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে এলে সেই কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রে যে-কোনও বয়সের ভোটারদের পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে এসে আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা হলে শুনানি পর্ব করা যাবে। কিন্তু এক্ষেত্রে মানবিকতার পরিচয় দিয়ে আড়শার বিডিও গোপাল সরকার বলেন, “ওই মালহার উপজাতির তিন সদস্য অসুস্থ। এ বিষয়টি আমরা জানার পরেই আমরা তাদের আবাসস্থলে গিয়ে শুনানি করেছি।”

বয়স্ক মানুষজনদের ক্ষেত্রে এসআইআর শুনানিকে ঘিরে যখন নানান বিতর্ক চলছে। কমিশনের বিধি নিয়ে রীতিমত আক্রমণ করা হচ্ছে। সেই জায়গায় আড়শার বিডিও যে মানবিকতার পরিচয় দিলেন তা নজিরবিহীন। এদিন কালু মালহার বলেন, “কয়েক দিনের ঠান্ডাতে আমাদের জ্বর চলে এসেছে। ব্লক কার্যালয়ে যেতে পারিনি। আমরা পড়শিদেরকে জানিয়েছিলাম। সেই থেকেই হয়তো প্রশাসনের কাছে খবর যায়। বিডিও নিজে এসেছিলেন। যা যা জিজ্ঞাসা করেছেন তার সব উত্তর দিয়েছি। তবে নথিপত্র বিশেষ কিছু নেই।” এই মালহার
জনজাতির মানুষজন কলি উপজাতি। তারা একসময় দেশের পশ্চিমঘাট পর্বতমালা এলাকায় বসবাস করতেন। এই পরিবারগুলি মূলত দিনমজুরি করেই সংসার চালান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.