Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Singur

মৃত্যুর আগে একসঙ্গে হোটেলে ছিলেন! প্রেমিক বিয়েতে রাজি না হওয়াতেই আত্মঘাতী সিঙ্গুরের নার্স?

সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১৭:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১৭:২৭

options
link
মৃত্যুর আগে একসঙ্গে হোটেলে ছিলেন! প্রেমিক বিয়েতে রাজি না হওয়াতেই আত্মঘাতী সিঙ্গুরের নার্স? zoom

সুমন করাতি, হুগলি: সিঙ্গুরের নার্সের মৃত্যুতে চাঞ্চল্যকর মোড়! মৃত্যুর দু’দিন আগে প্রেমিক রাধাগোবিন্দ ঘটনের সঙ্গে এক হোটলে একসঙ্গে ছিলেন নার্স। এমনকী আগেও তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে ঘুরতে গিয়ে একসঙ্গে থেকেছেন। পুলিশের দাবি, জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন ধৃত প্রেমিক। প্রাথমিক তদন্তে আরও উঠে এসেছে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন নার্স, এড়িয়ে যাচ্ছিলেন রাধাগোবিন্দ। তাতেই মানসিক অবসাদে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক তদন্তের পর এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

বৃহস্পতিবার সিঙ্গুরের বোড়াই তেমাথা এলাকায় বেসরকারি নার্সিংহোম থেকে নার্সের দেহ উদ্ধার হয়। প্রেমিক রাধাগোবিন্দকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, ধৃত রাধাগোবিন্দ অন্য বেসরকারি নার্সিংহোমে ডায়ালিসিস বিভাগে কাজ করেন।

Advertisement

কাজের সূত্রেই সঙ্গে নার্সের সঙ্গে পরিচয় রাধাগোবিন্দের। তা থেকে প্রেম। ক্রমে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে দু’জনে। গত ১০ আগস্ট হুগলির ডানকুনিতে একটি হোটেলে ওঠেন তাঁরা। নার্স প্রেমিককে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না রাধাগোবিন্দ। এই পরিস্থিতিতে মানসিক অবসাদে ভুগে যুবতী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলেই অনুমান। অন্যদিকে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে নার্সিংহোমের মালিকেও। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। মালিকের ওই নার্সের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে দীর্ঘ জটিলতার পর শনিবার কল্যাণী এইমসে নার্সের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। হুগলির হাসপাতাল থেকে কলকাতা মেডিক্যালে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরিবার কেন্দ্রীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্তের দাবি তোলে। তা মেনেই মৃত্যুর চারদিন পরে ময়নাতদন্ত হয় কল্যাণী এইমসে। তারপর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে মৃতার পাড়ায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে সিঙ্গুরের একটি নার্সিংহোমের চারতলার ঘর থেকে নার্সের  ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বেঙ্গালুরু থেকে নার্সিং পড়ে বাড়ি ফিরেছিলেন দিন কয়েক আগে। তারপর এক বান্ধবীর সূত্রে চাকরি পান সিঙ্গুরের বোড়াই তেমাথা এলাকায় এক নার্সিংহোমে। কাজে যোগ দেওয়ার তিনদিনের পরই দেহ উদ্ধার হয়। পরিবার নার্সিংহোমের মালিকের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে। এই ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। তদন্ত করছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.