Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

২০০২ সালের তালিকায় নাম নেই! স্বাধীনতা সংগ্রামী দাদুর তাম্রপত্র নিয়ে SIR শুনানিতে সেন পরিবার

খসড়া তালিকায় ভোটদাতা হিসাবে তাঁদের চারজনের নাম এসেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৮:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৮:৪০

options
link
২০০২ সালের তালিকায় নাম নেই! স্বাধীনতা সংগ্রামী দাদুর তাম্রপত্র নিয়ে SIR শুনানিতে সেন পরিবার zoom
তাম্রপত্র নিয়ে শুনানি শিবিরে সেন পরিবার। নিজস্ব চিত্র

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: নিজেদের বংশ পরিচয় দিতে দাদুর স্বাধীনতা সংগ্রামের তাম্রপত্র নিয়ে শুনানি শিবিরে সেন পরিবার। শুক্রবার সিউড়ি ১ ব্লকের কড়িধ্যা পঞ্চায়েতের সেন পরিবারের চার সদস্য সেই তাম্রপত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ালেন ব্লক চত্বরে। তাঁরা জানেন না, স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবার আদৌ ভোট দিতে পারবেন কিনা। স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসাবে পরিবারের প্রধান জীবনানন্দ মুখোপাধ্যায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হাত থেকে তাম্রপদক পেয়েছিলেন। তারপর থেকেই কড়িধ্যার মানুষের মধ্যে আলাদা সম্ভ্রম, আলাদা সন্মান এই পরিবারের।

খসড়া তালিকায় ভোটদাতা হিসাবে তাঁদের চারজনের নাম এসেছে। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। স্বভাবতই লিংক না থাকায় পরিবারের চারজন চিন্তায়। পরিবারের সদস্য অরিজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বাবা সুরজিৎ মুখোপাধ্যায় সরকারি কর্মী ছিলেন। আমরা সেন পাড়ার আদি বাসিন্দা। আজ বাবা নেই। তিনি ২০০২ সালে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মা, ভাই, বোন ও আমার নাম বাদ।’’ উল্লেখ্য অভিজিৎ ছাড়াও তাঁর ভাই শুভজিৎ, বোন প্রিয়াঙ্কা ও মা কল্পনার নাম বাদ। অথচ নির্বাচনী তথ্য বলছে সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের কড়িধ্যা ২০৯ নম্বর বুথে কল্পনা মুখোপাধ্যায় স্বামীর সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা একসঙ্গে পশ্চিম কড়িধ্যার স্কুলে ভোট দিতে যেতেন। ভোট শেষে সে ছবিও স্মৃতি হিসাবে এখনও জ্বলজ্বল করছে।

Advertisement

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বাবার কাছে ঠাকুরদার স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা শুনেছি। দেশ স্বাধীন করতে দাদু লড়াই করেছিলেন। সেই স্বাধীন দেশের নির্বাচন কমিশন আমাদের নাম কেটে দিল। ভাবতেই পারছি না।’’ অভিজিৎ কলকাতায় কাজ করেন, প্রিয়াঙ্কা স্ব উদ্যোগী, শুভজিৎ মার্কেটিং কর্মী। তাঁদের সঙ্গে মাকেও একসঙ্গে শুক্রবার সকাল থেকে কড়িধ্যায় ১ নম্বর ব্লকে তথ্য নিয়ে হাজির হতে হয়েছে। তাঁরা জানান কাজ কামাই, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত বসেও শুনানির ডাক আসেনি। খাওয়া হয়নি। এই হয়রানির মানে কী। তাঁরা নিজেদের সব তথ্য সঙ্গে বাবার স্যালারির পে স্লিপ সঙ্গে দাদুর তাম্রপত্র নিয়ে ব্লকের গাছতলায় বসেছিলেন।

২০৯ বুথের বিএলও প্রদোষ সেন বলেন, ‘‘২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম নেই। কিন্তু খসড়া তালিকায় নাম আছে। নিজেদের পরিচয়ের জন্য যে ১১ দফা পরিচয়পত্র চেয়েছে কমিশন, সেগুলি যাচাই করে আমরা রিপোর্ট পাঠিয়ে দেব।’’ তৃণমূলের কড়িধ্যা অঞ্চল সভাপতি দেবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘যারা এলাকায় সন্মানিত, আদর্শ তাঁদের পরিচয় জানতে শিবিরে ডেকে হয়রানি করছে কমিশন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিবারও সেই হয়রানির শিকার।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.