Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Tarapith Hotel Fire

আগুন থেকে বাঁচতে কেউ ঝাঁপ দিয়েছিলেন? তারাপীঠের ‘বিদেশিনী’তে অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে তল্লাশি

এনডিআরএফের একটি দল তল্লাশি চালাচ্ছে, পুকুরে নামানো হয়েছে প্রশিক্ষিত ডুবুরিদের।

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১২:৪৯

link
বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১২:৪৯

options
link
আগুন থেকে বাঁচতে কেউ ঝাঁপ দিয়েছিলেন? তারাপীঠের ‘বিদেশিনী’তে অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে তল্লাশি zoom
তারাপীঠের হোটেলে অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে কেউ পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন কিনা জানতে তল্লাশি, মঙ্গলবার সকালে। ছবি: সুশান্ত পাল
Advertisement

তারাপীঠের ‘বিদেশিনী’ হোটেলের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (Tarapith Hotel Fire) প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। সোমবার ঘটনার পরদিন পুকুরে তল্লাশি শুরু করল বিপর্যয় মোকাবিলার বিশেষ প্রতিনিধি দল। আগুনের লেলিহান শিখা এবং ঘন কালো ধোঁয়া থেকে প্রাণ বাঁচাতে কোনও আবাসিক পুকুরের জলে ঝাঁপ দিয়েছিলেন কিনা, সেই প্রশ্ন উঠছে। আর তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি অভিযান বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে পুকুরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চলে। পাশাপাশি জলে নামানো হয় প্রশিক্ষিত ডুবুরিকেও। পুকুরের গভীর জলে নেমে তলদেশ পর্যন্ত খতিয়ে দেখেন ডুবুরিরা।

সোমবার ভোররাতে আচমকা আগুন লাগায় বেরনোর রাস্তা না পেয়ে কেউ পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেননি তো? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে তাই মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই পুকুরে তল্লাশি শুরু করেছে এনডিআরএফের প্রতিনিধি দল। স্পিডবোট নামিয়ে পুকুরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি জলের মধ্যে নামানো হয় প্রশিক্ষিত ডুবুরি। কোনও নিখোঁজ ব্যক্তি জলে এতক্ষণ থাকার ফলে আদৌ বেঁচে আছেন কি না, মূলত সেই সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার তারাপীঠ থানা সংলগ্ন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক তৈরি হয় গোটা এলাকায়। অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে হোটেলে আশ্রয় নেওয়া ন’জন আবাসিকের। জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের সময়ে এমার্জেন্সি গেটা খোলেনি, কাজ করেনি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও। এতেই হোটেল মালিকদের গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। গ্রেপ্তার করা হয় মালিকের ছেলেকে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement
‘বিদেশিনী’ হোটেলের পাশেই এই পুুকুরে তল্লাশি, ছবি: সুশান্ত পাল

প্রশ্ন উঠছে, আগুন থেকে বাঁচতে আবাসিকরা কীভাবে বেরিয়ে এসেছিলেন, কেউ বাইরে বেরতে না পেরে অন্য কোনও পথে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন কিনা, সেই সমস্ত বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। সোমবার ভোররাতে আচমকা আগুন লাগায় বেরনোর রাস্তা না পেয়ে কেউ পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেননি তো? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে তাই মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই পুকুরে তল্লাশি শুরু করেছে এনডিআরএফের প্রতিনিধি দল। স্পিডবোট নামিয়ে পুকুরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি জলের মধ্যে নামানো হয় প্রশিক্ষিত ডুবুরি। কোনও নিখোঁজ ব্যক্তি জলে এতক্ষণ থাকার ফলে আদৌ বেঁচে আছেন কি না, মূলত সেই সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ডে মৃত ন’জনের দেহ নিয়ে ময়নাতদন্ত ও পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যেই রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মেঘালয়ের পাঁচ বাসিন্দার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তাঁদের মৃতদেহ মেঘালয়ের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার বাসিন্দার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার কথা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.