ভোটে হেরে একের পর এক তৃণমূল নেতার জীবন আমূল বদলে গিয়েছে। কেউ গা ঢাকা দিয়েছেন, কেউ কেউ আবার দলের বিরুদ্ধে ‘ফোঁস’ করেছেন। এমনকী দাপুটে তৃণমূল নেতারাও রীতিমতো ঘরবন্দি করেছেন নিজেদের। একে একে হারিয়েছেন নিরাপত্তা বলয়। এবার ক্যানিংয়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা শওকত মোল্লার (Saokat Molla) সমস্ত নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল। ছাব্বিশের ভোটে তিনি ছিলেন ভাঙড়ের প্রার্থী। আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকির কাছে হারের পর থেকে শওকতকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরপর নতুন সরকারের আমলে তাঁর যাবতীয় সুরক্ষা প্রত্যাহার করা হল। তাতে তিনি নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন।
একসময়ে ভাঙড়ের প্রয়াত সিপিএম নেতা তথা বাম আমলে রাজ্যের মন্ত্রী আবদুর রেজ্জাক মোল্লার শিষ্য ছিলেন ক্যানিংয়ের শওকত। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল জমানা শুরুর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যোগ দেন শওকত। তারপর থেকেই একাধিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকতেন শওকত মোল্লা। ধাপে ধাপে বেড়েছিল তা নিরাপত্তা। একদিকে যেমন দলীয় দায়িত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে তেমনই বেড়েছে তাঁর নিরাপত্তার বহর। পরবর্তীতে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল শওকতের। কলকাতা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের দুটি পাইলট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ছিল ২৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।
আরও পড়ুন:
একসময়ে ভাঙড়ের প্রয়াত সিপিএম নেতা তথা বাম আমলে রাজ্যের মন্ত্রী আবদুর রেজ্জাক মোল্লার শিষ্য ছিলেন ক্যানিংয়ের শওকত। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল জমানা শুরুর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যোগ দেন শওকত। তারপর থেকেই একাধিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকতেন শওকত মোল্লা। ধাপে ধাপে বেড়েছিল তা নিরাপত্তা। একদিকে যেমন দলীয় দায়িত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে তেমনই বেড়েছে তাঁর নিরাপত্তার বহর। পরবর্তীতে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল শওকতের। কলকাতা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের দুটি পাইলট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ছিল ২৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। বুধবার রাতে তা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়ে সভা করতে এসে বলেছিলেন, ‘‘শওকতের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি ওর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয় তাহলে আমার নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে শওকতকে নিরাপত্তা দেব।” তা নিয়েও নির্বাচন রাজনীতিতে কম চর্চা হয়নি। আর ভাঙড় থেকে ভোটে হারতেই নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই শওকত মোল্লার সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হল। বারুইপুর জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শওকত মোল্লা (Saokat Molla) যেহেতু বিধায়ক হননি, তাঁর অন্য কোনও পদও নেই, তাই তাঁর আপাতত কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে না। এতদিন শওকত মোল্লাকে যাঁরা নিরাপত্তা দিতেন, তাঁরা সকলেই বারুইপুর পুলিশ জেলায় গিয়ে কাজে যোগদান করেছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২১ জুলাইয়ের আগে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা কেন? হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল
-
গোহত্যায় বাধা নেই! মাদ্রাজ হাই কোর্টের রায়ে ‘সুপ্রিম’ স্থগিতাদেশ, বড় সাফল্য বিজয় সরকারের
-
অবিলম্বে স্থগিতাদেশ চাই! গুন্ডাদমন আইন লাগু হওয়ার দিনই হাই কোর্টে মামলা
-
১৭ বছরের সম্পর্কের ইতি, চেন্নাই সুপার কিংসের কোচের পদ ছাড়লেন স্টিফেন ফ্লেমিং
-
‘সরকারি প্রকল্পের জন্য উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে আইনি বাধা নেই’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের