Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Rakhi Bandhan

চাহিদা তুঙ্গে পদ্মফুল ও জয় শ্রীরাম লেখা গেরুয়া রাখির, কালনা থেকে পাড়ি দিচ্ছে অযোধ্যায়

স্বাভাবিক কারণেই রাখি উৎসবের আগে চওড়া হাসি কালনার মহিলা রাখি শিল্পীদের মুখে।

অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৯:৩৩

link
অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৯:৩৩

options
link
চাহিদা তুঙ্গে পদ্মফুল ও জয় শ্রীরাম লেখা গেরুয়া রাখির, কালনা থেকে পাড়ি দিচ্ছে অযোধ্যায় zoom
অর্ডার পাওয়া রাখির বরাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন শিল্পীরা। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কালনার বিখ্যাত রাখি এবার পাড়ি দিচ্ছে সূদূর অযোধ্যায়। গেরুয়া পদ্মফুল ও জয় শ্রীরাম লেখা রাখির চাহিদা বেশি থাকায় বরাতও মিলেছে বেশ ভালো। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া রাখির চাহিদাও এবার তুঙ্গে। স্বাভাবিক কারণেই রাখি উৎসবের আগে চওড়া হাসি কালনার মহিলা রাখি শিল্পীদের মুখে। যদিও অর্ডার পাওয়া রাখির বরাত সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কালনার রাখি তৈরির সংস্থা ক্লাস্টার উইভার্স অ্যান্ড আর্টিজেন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীদের।

কালনার রাখির সুনাম গত কয়েক দশকে রাজ্য ছাড়িয়ে ভিনরাজ্য এমনকি বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। এখানে ছোট-বড় মাপের অনেক রাখি তৈরির কারখানা রয়েছে। পুরুষ শিল্পীরা থাকলেও এই শিল্পের মূল কারিগর মহিলারাই। সংসারের কাজ সামলে রাখি তৈরি করে রোজগার করে মহিলারা শুধু স্বনির্ভরই হননি, সংসারের হালও ধরেছেন। কালনা মহকুমায় থাকা রাখি তৈরির কারখানাগুলির সঙ্গে কয়েক হাজার দক্ষ ও অদক্ষ শিল্পী ও শ্রমিক যুক্ত। নিখুঁতভাবে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কারুকার্য দিয়ে রাখি তৈরি করেন তাঁরা। তাঁদের আরও দক্ষ করতে উন্নত মানের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। শ্যামগঞ্জপাড়ার প্রশিক্ষিত এই শিল্পীরা এবার রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, নেতাজির ছবি দেওয়া রাখির পাশাপাশি শ্যামাপ্রসাদ, মোদি, শুভেন্দুর ছবি আঁটা রাখিও তৈরি করছেন। দিনরাত এক করে রঙিন পাথর, পুঁতি, জরি, চুমকি দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাখি। পরিবেশবান্ধব পাটের তৈরি রাখিও রয়েছে। তবে গেরুয়া রঙের রাখীর চাহিদাই এবার বেশি।

Advertisement

সায়ন্তিকা পাল, অনামিকা চৌধুরীর মত শিল্পীরা বলেন, “একদিকে শিল্পভাবনা, অন্যদিকে ধৈর্য আর সময় লাগে নজরকাড়া রাখি তৈরি করতে। মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা আয় হয়। আর একটু বেশি হলে ভালো হয়। রাখির দৌলতে আমরা স্বনির্ভর হতে পেরেছি।” সংস্থার সম্পাদক তপন মোদক বললেন, “এখানকার শিল্পীদের তৈরি রাখির গুণগত মান খুবই উন্নত। অন্যবার রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রচুর রাখির বরাত মেলে। আমরা এখন সেই বরাতের দিকেই তাকিয়ে রয়েছি। তবে এবার অযোধ্যা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গেরুয়া রাখির চাহিদা বেশি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.