মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: শীতকালে রাজ্যের বাসিন্দাদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম স্থান গড়চুমুক জুলজিক্যাল পার্ক। রাজ্য সরকার এই পার্ককে নতুন করে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। পর্যটকদের জন্য এবার সুখবর! এই পার্কে আসতে চলেছে দু’টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। শুধু তাই নয়, আনা হবে চিতাবাঘ, ভল্লুকও। উলুবেড়িয়ার পারিজাত এলাকায় এক অনুষ্ঠানে এসে একথা জানান রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়। মন্ত্রীর এই বার্তায় খুশির খবর ছড়িয়েছে ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে।
নতুন সদস্যদের আগমনের আগে সেই মতো সাজতে শুরু করেছে পার্ক। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণরায়ের এনক্লোজার তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমতি পেলেই পুরোদমে বাকি কাজ শুরু হবে।
বর্তমানে গড়চুমুক রাজ্যের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই মুহূর্তে গড়চুমুক জুলজিক্যাল পার্কে একাধিক প্রাণী রয়েছে। দেখা যায় নীলগাই, ইমু, ম্যাকাও, পাইথন, বাঘরোল, সজারু। এছাড়াও রয়েছে শতাধিক হরিণ, চারটি কুমির, শতাধিক কচ্ছপ, পঞ্চাশটির বেশি প্রজাতির পাখি। আগামী দিনে চিড়িয়াখানাকে আরও সাজিয়ে তোলা হবে। সেই জন্য কাজও শুরু হয়েছে।
৭৩ একর জায়গার উপর বাম আমলে তৈরি হয় এই পর্যটন কেন্দ্রটি। তখন এটির নাম ছিল মৃগ দাব। ছিল শুধু হরিণ, সজারু আর গুটিকয়েক পাখি। এটি পরিচালনার দায়িত্ব ছিল হাওড়া জেলা পরিষদের। তৃণমূলের সময়ে কয়েক বছর আগে এর আমূল উন্নতি সাধনের পরিকল্পনা করা হয়। এই জায়গা দুটো ভাগ করা হয়। একটা অংশ দেওয়া হয় বনদপ্তরকে এবং আরেকটি অংশ দেখভাল করতো হাওড়া জেলা পরিষদ। যদিও বর্তমানে জেলা পরিষদ তার দেখভালের অংশটুকু বেসরকারি সংস্থাকে লিজ দিয়ে দিয়েছে। বনদপ্তরের জায়গায় আমূল পরিবর্তনও করেছে। বর্তমানে এই পর্যটন কেন্দ্রের নাম হয়েছে গড়চুমুক জুওলজিক্যাল পার্ক। পর্যটনের চার মাস তো এখানে পা ফেলা দায়। ফলে বাঘ এবং হায়না আসলে এই পর্যটন কেন্দ্রেও পর্যটকদের কাছে নতুন মাত্রা পাবে।
সর্বশেষ খবর
-
মুসলিমপ্রধান লাক্ষাদ্বীপে মদ বিক্রির অনুমতি! কেন বদল ৪৭ বছরের আইনে?
-
এসআইআর করে ‘ভোট লুট’, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি, এবার প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ‘ইন্ডিয়া’র!
-
সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস! বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে ‘ভ্যানিশ’ মমতার ছবি
-
ঋতব্রত নাকি শোভনদেব, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কে? জল গড়াল হাই কোর্টে
-
আজই কলকাতায় পুরসভায় প্রশাসক, কাউন্সিলরদের হাতেই থাকছে সার্টিফিকেট জারির ক্ষমতা