Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Anant Maharaj

বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নেওয়ার পরেও নেতাজি নিয়ে মন্তব্যে আপসোস নেই! কী ব্যাখ্যা অনন্ত মহারাজের?

Anant Maharaj Banga Bibhushan: হাজার চাপানউতোর চললেও নিজের অবস্থানে অনড় অনন্ত মহারাজ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ২০:১২

options
link
বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নেওয়ার পরেও নেতাজি নিয়ে মন্তব্যে আপসোস নেই! কী ব্যাখ্যা অনন্ত মহারাজের? zoom
অনন্ত মহারাজ। ফাইল ছবি
Advertisement

জনরোষ ক্রমশ বাড়ছে। যেকোনও মুহূর্তে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্য়বস্থা নিতে পারে। হতে পারে জেলযাত্রাও। কেড়ে নেওয়া হয়েছে বঙ্গবিভূষণ সম্মান। তা সত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ (Anant Maharaj)। এদিকে, নেতাজি অসম্মানের অভিযোগ কোচবিহারের কোতয়ালি থানার পুলিশ অনন্ত মহারাজের ২ অনুরাগীকে গ্রেপ্তার করেছে।  

তাঁর দাবি, “যে সময়ের কথা বলেছি, তখন আমার জন্ম হয়নি। আমি নেতাজিকে অপমান করিনি। কাউকে গালাগালও করিনি। নিজের মুখ থেকে কোনও মিথ্যা কথা বা মনগড়া রূপকথা বানিয়ে বলিনি। কারও নামে বদনামও করিনি। যেটা ইতিহাসের পাতায় রয়েছে, সেটাই সাধারণ মানুষকে বলেছি। শুধুমাত্র ঐতিহাসিক কিছু তথ্য সামনে তুলে ধরেছি। আমি অন্যায় করে থাকলে আইনি শাস্তি দেওয়া যেতেই পারে।” সুতরাং হাজার চাপানউতোর চললেও নিজের অবস্থানে অনড় অনন্ত মহারাজ।

Advertisement

ঠিক কী বলেছিলেন অনন্ত মহারাজ? সম্প্রতি বর্ষীয়ান নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “শুধু মহাত্মা গান্ধি, জওহরলাল নেহরু বা কংগ্রেসের আন্দোলনের ফলেই ভারত স্বাধীন হয়েছে, এই ধারণা সঠিক নয় । কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকা ইতিহাসে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। কোচবিহারের মহারাজা যুদ্ধ করে হিটলার এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে পরাজিত করেছিলেন। জার্মানির হাতে বন্দি হওয়া ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাদের নেতাজির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই সেনাদের নিয়েই আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠিত হয়। নেতাজি সেই সুযোগের অপব্যবহার করেছিলেন। আজ যদি আমি সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিই, তা হলে আমাকে এনকাউন্টার করা হবে। ব্রিটিশ আমলেও আইন ছিল। কোচবিহারের মহারাজাকে যদি স্বাধীন ভারতের সম্রাট করা হত, তবে দেশভাগ হত না। ভারত ও পাকিস্তান এক থাকত।” এই মন্তব্যের পর থেকেই উঠেছে বিতর্কের ঝড়। তাতে রাশ টানতে পুলিশকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়মের ঊর্ধ্বে যে কেউই নন, তা-ও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সুতরাং ক্রমশ চাপ বাড়ছে অনন্ত মহারাজের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.