Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬
Rathyatra

‘ঠুঁটো’ নয়, হাত-সহ জগন্নাথ দর্শন কালনায়! রথের দিন উপচে পড়া ভিড়

বর্ধমান রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠিত এই রথযাত্রা ২৮৭ বছরে পড়ল, কেন ব্যতিক্রমী রীতি? জানুন ইতিহাস।

Advertisement
অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:১৯

link
অভিষেক চৌধুরী
অভিষেক চৌধুরী

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:১৯

options
link
‘ঠুঁটো’ নয়, হাত-সহ জগন্নাথ দর্শন কালনায়! রথের দিন উপচে পড়া ভিড় zoom
কালনায় ব্যতিক্রমী হাতযুক্ত জগন্নাথদেব, রথের দিন দেখতে ভিড় ভক্তদের

‘ঠুঁটো’ জগন্নাথ! একথা ছোটবেলা থেকে কে না শুনেছেন? প্রভু জগন্নাথদেব যতটা শ্রদ্ধার, ততটাই যেন বাঙালির আপন। তাই পুজো দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘ঠুঁটো’ বলতেও পিছপা হন না কেউ। এ যে ভালোবাসারই ডাক! আর জগন্নাথদেবকে এই রূপে দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু ব্যতিক্রম কালনায়। এখানকার জগন্নাথদেবের দুটি হাত রয়েছে। আর সেটাই বিশেষ আকর্ষণ ভক্তদের কাছে। রথের দিন তাই কালনার হাতযুক্ত জগন্নাথদেবকে দেখতে বিশাল ভিড় হল।

জগন্নাথদেব হাতযুক্ত, ব্যতিক্রমী ছবি কালনায়, নিজস্ব ছবি

জানা গিয়েছে, এই রথ উৎসবের প্রতিষ্ঠা করেন বর্ধমানের রাজারা। রাজাই স্বপ্নাদেশ পান, স্নানযাত্রা, রথযাত্রা ও উল্টোরথে জগন্নাথ হবেন হাতযুক্ত। বলরামও তাই। এই তিনদিনের জন্য জগন্নাথ ও বলরামকে পিতলের হাত পরানো হয়। শুধু সুভদ্রা থাকবেন চিরাচরিত হাতহীন অবস্থায়। সেই পরম্পরা আজও বহমান কালনার জগন্নাথতলার রথে।

কালনার জগন্নাথতলার রথযাত্রায় বছরের পর বছর অদ্ভুত এই বৈপরীত্য বহন করায় এখানকার রথযাত্রার আকর্ষণ একেবারেই অন্যরকম। জানা গিয়েছে, এই রথ উৎসবের প্রতিষ্ঠা করেন বর্ধমানের রাজারা। রাজাই স্বপ্নাদেশ পান, স্নানযাত্রা, রথযাত্রা ও উল্টোরথে জগন্নাথ হবেন হাতযুক্ত। বলরামও তাই। এই তিনদিনের জন্য জগন্নাথ ও বলরামকে পিতলের হাত পরানো হয়। শুধু সুভদ্রা থাকবেন চিরাচরিত হাতহীন অবস্থায়। সেই পরম্পরা আজও বহমান কালনার জগন্নাথতলার রথে। রথযাত্রা উপলক্ষ্যে বসেছে মেলাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে, বর্ধমান রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠিত কালনার লালজি মহারাজের রথযাত্রা ২৮৭ বছরে পড়ল। এবার এই রথ সরকারি অনুদান পাওয়ায় জৌলুস যেমন বেড়েছে, তেমনই বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। রথযাত্রার রীতি মেনে মন্দির থেকে লালজি মহারাজকে পালকিতে চাপিয়ে বের করে তোলা হয় রথে। এখানকার টেরাকোটার বিশাল মন্দিরের সামনে রয়েছে কারুকার্যময় নাটমণ্ডপ। এখানকার রথে জগন্নাথ, বলরাম বা সুভদ্রা নন, চড়েন লালজি মহারাজ। একসময় এখানকার রথের রশি টানতে হাতি ব্যবহার করা হত। এবারে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত লালজির রথের রশিতে টান দেন কালনার মহকুমাশাসক অহিংসা জৈন, বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার-সহ বহু বিশিষ্ট। ছিল দিনভর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.