Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Madhyamgram

মধ্যমগ্রামে ব্যতিক্রমী রাখি উৎসব, আবাসিক ছাত্রীদের নিয়ে সম্প্রীতি ও মানবিকতার পাঠ

সম্প্রতি ‘উৎকর্ষে আরোহণ’ ও ‘মধ্যমগ্রাম প্রণব কন্যা সংঘ’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হল বিশেষ রাখিবন্ধন উৎসব, ‘এসো রাখি পরি’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৬:২৯

options
link
মধ্যমগ্রামে ব্যতিক্রমী রাখি উৎসব, আবাসিক ছাত্রীদের নিয়ে সম্প্রীতি ও মানবিকতার পাঠ zoom
মধ্যমগ্রামে সম্প্রীতির নতুন সুর।
Advertisement

গোটা দেশজুড়ে শুক্রবার পালিত হল রাখিবন্ধন উৎসব। ভাই-বোনের চিরন্তন সম্পর্কের এ এক অনন্য উদযাপন। রাখিবন্ধনের পুণ্যতিথিতে সেই সম্প্রীতি ও মানবিকতার ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে উঠল মধ্যমগ্রাম। প্রথাগত আচার-অনুষ্ঠানের গণ্ডি পেরিয়ে এ যেন এক অনুপম দিন যাপনের সাক্ষী।

সম্প্রতি ‘উৎকর্ষে আরোহণ’ ও ‘মধ্যমগ্রাম প্রণব কন্যা সংঘ’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হল বিশেষ রাখিবন্ধন উৎসব—‘এসো রাখি পরি’। সংঘের আবাসিক ছাত্রীরা এই অনুষ্ঠানে মুখ্য ভূমিকা নেন। অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের মেজাজ। তবে এই আয়োজন কেবল হাতের কবজিতে রঙিন সুতো বাঁধার মধ্যেই থেমে থাকেনি। বরং তার চেয়ে অনেক বেশি করে প্রাধান্য পেয়েছে ছোট ছোট মেয়েগুলির সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং মানসিক সান্নিধ্য।

Advertisement

আবাসিক ছাত্রীদের উৎসাহ দিতে হাজির হয়েছিলেন সমাজের নানা ক্ষেত্রের গুণী মানুষেরা। বিশিষ্ট ভাস্কর বিমল কুণ্ডু থেকে শুরু করে প্রখ্যাত বাচিকশিল্পী দেবাশীষ বসুর মতো ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে এক অন্য মাত্রা দেয়। তাঁরা নিজ হাতে ছাত্রীদের রাখি পরিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, দিনভর ছবি আঁকা, গান ও নানা সৃজনশীল কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের মনে আনন্দের নতুন সুর বেঁধে দেন তাঁরা। ‘এসো মিলে গান ধরি, হাতে হাত রেখে ছবি আঁকি’—এই মূল ভাবনাকে সামনে রেখেই চলে প্রতিভা অন্বেষণের পাঠ।

উৎসবের আসল দর্শন লুকিয়ে থাকে সর্বজনীন ভালোবাসায়। আয়োজকদের মতে, রাখিবন্ধনের বার্তা কেবল রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোনের মধ্যে আটকে রাখা ভুল। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলাই এই পালনের আসল উদ্দেশ্য। সংঘের সভানেত্রী সন্ন্যাসিনী পরমানন্দময়ী মাতাজী জানান, সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে দেওয়া এবং শিশুদের জন্য এক মানবিক পরিবেশ তৈরি করাই ছিল তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে ‘উৎকর্ষে আরোহণ’-এর আহ্বায়ক অনুপম মজুমদার আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ মানুষের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও সুন্দর করবে। সব মিলিয়ে, প্রবীণদের স্নেহ, বিশিষ্টদের উপস্থিতি এবং আবাসিক ছাত্রীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে দিনটি হয়ে উঠল আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দলিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.