Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬
Mamata Banerjee

‘অভিষেককে সরালে অনেকেই ফিরবে’, মমতার সঙ্গ ছেড়ে ঋত শিবিরে গিয়ে বিস্ফোরক রবীন্দ্রনাথ

মমতার হাতে সত্যি ক্ষমতা আছে কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাককে বিঁধেছেন তিনি। আইপ্যাক দলটার ১২টা বাজিয়ে দিয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

Advertisement
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৩:৩৮

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৩:৩৮

options
link
‘অভিষেককে সরালে অনেকেই ফিরবে’, মমতার সঙ্গ ছেড়ে ঋত শিবিরে গিয়ে বিস্ফোরক রবীন্দ্রনাথ zoom

এবার ঋতব্রত শিবিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো সঙ্গী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাকের ক্ষোভ প্রকাশ করে আসল তৃণমূলে গেলেন তিনি। উত্তরবঙ্গের এই নেতা সাফ জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কম। তাঁকে রাজনীতির অঙ্গণ থেকে সরিয়ে রাখলে নেতারা ফের মমতার কাছে যাবেন বলে বিশ্বাসী তিনি। আইপ্যাকের কারণে দলের এই ভরাডুবি বলে মত রবীন্দ্রনাথের।

প্রায় ২২ বছর তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। মমতা ক্যাবিনেটে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এ হেন রবীন্দ্রনাথের প্রশ্ন, দিদির হাতে ক্ষমতা আছে তো? তাঁর কথায়, “মমতার হাতে সত্যি ক্ষমতা আছে? ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়ে গিয়েছে। অযোগ্যরা দায়িত্ব পেয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলেও অনেক কিছু করতে পারেননি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দলের ভাঙন ও পরাজয় কী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য? প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ” অভিষেকের অভিজ্ঞতা কম। কোনও রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে আসেনি। আর  কে আইপ্যাক? বাচ্চা, বাচ্চা ছেলেগুলো আমাদের নির্দেশ দিচ্ছে। আমরা রাজনৈতিক আন্দোলন, পরিশ্রমের মধ্যে উঠে এসেছি। ২০১১, ২০১৬ সালে আইপ্যাক ছিল না। এমনকী হল যে আইপ্যাককে দরকার হল। দলটার ১২টা বাজিয়ে দিয়ে চলে গেল।”

ক্ষোভ উগড়ে দিলেও দলনেত্রীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা অটুট রয়েছেন বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা করি। করব। অভিষেককে রাজনৈতিক অঙ্গণ থেকে সরিয়ে দিলে অনেকে তাঁর কাছে ফিরে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। অনেকের সঙ্গে কথা বলে এটাই বুঝতে পেরেছি।”

কিন্তু এ কথা তিনি মমতাকেও বলতে পারতেন। শিবির বদল কেন? তিনি বলেন, “ঋতব্রত তৃণমূল নয়। তৃণমূল একটাই। যেখানে মেজরিটি সেখানেই থাকতে হবে। উত্তরবঙ্গের এমএলএ, নেতারা সবাই এক জায়গায় একত্রিত হয়েছেন। কর্মীদের পাশে থাকতে এই সিদ্ধান্ত।” কর্মীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “অযোগ্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। এখন ঘর ছাড়া। নির্যাতনের মুখে দলের সাধারণ কর্মীরা। ওদের পাশে থাকতে হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.