Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬
Purulia

বঙ্গ পর্যটনে জুড়ছে পুরুলিয়ার সবুজ সেঁওয়াতি পাহাড়! জঙ্গল ঘেরা এই জনপদে জানেন কী আছে?

এই জঙ্গলেই রয়েছে হাতি, চিতাবাঘ এমনকি ভল্লুকও। তাই এমন বিপুল জীব- বৈচিত্র্যে ভরপুর জঙ্গলে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৩:২১

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৩:২১

options
link
বঙ্গ পর্যটনে জুড়ছে পুরুলিয়ার সবুজ সেঁওয়াতি পাহাড়! জঙ্গল ঘেরা এই জনপদে জানেন কী আছে? zoom
পুরুলিয়ার ঝালদা ১ ব্লকের সেঁওয়াতি পাহাড় রেঞ্জ।

ছোট ছোট টিলায় লম্বা টানা পাহাড় রেঞ্জ। আর সেই টিলা জুড়ে সবুজ ঘন জঙ্গল। আর ওই জঙ্গলের বুক চিরে ঝরনা। দিনের বেলায় পাখির কিচির মিচির। আর সন্ধ্যা নামলেই কানে আসে বন্যপ্রাণের আওয়াজও। এই জঙ্গলেই যে রয়েছে হাতি, চিতাবাঘ এমনকি ভল্লুকও। তাই এমন বিপুল জীব- বৈচিত্র্যে ভরপুর জঙ্গলে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে কি রাজ্যের পালাবদলে বাংলার পর্যটনে এবার যুক্ত হতে চলেছে ঝাড়খন্ড ছুঁয়ে থাকা সেঁওয়াতি পাহাড়-জঙ্গল! সম্প্রতি পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জেলাশাসক সুধীর কোন্থম, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি সংস্কার), মহকুমাশাসক, বিডিও এবং মুখ্য বনপাল (দক্ষিণ-পশ্চিম চক্র) রানা দত্তকে নিয়ে পরিদর্শনের পর পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে এমন ইঙ্গিত-ই মিলেছে।

পুরুলিয়া (Purulia) বনবিভাগের ঝালদা বনাঞ্চলের কলমা বিটের সেঁওয়াতি পাহাড়-জঙ্গল ছাড়াও কোটশিলা বনাঞ্চলের সিমনি বিটের কাড়িয়র জঙ্গলও পরিদর্শন করেন তারা। সাংসদকে এই এলাকার প্রাকৃতিকভাবে বনভূমির পরিবেশগত গুরুত্ব সম্পর্কে তুলে ধরে বনদপ্তর। এই এলাকায় একেবারে জনবসতি নেই। তাই ওই টিলা-পাহাড় জঙ্গলে ঢাকা এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বলে জানানো হয়। কিন্তু পরিদর্শন শেষে এ বিষয়ে প্রশাসন, বনদপ্তর, জনপ্রতিনিধিরা কিছু বলতে চাননি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Sewati Hill forest in Purulia, West Bengal tourism destination

তবে বর্ষার মরশুমে এই পাহাড় আরও সবুজ হয়ে ওঠে। ঝালদা এক ব্লকের হেঁসাহাতু গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এই পাহাড়ের কাছে শুধু কয়েকজন বিরহোড় জনজাতির পরিবার রয়েছে। এছাড়া চারদিক শুধু জঙ্গল। এলাকায় পর্যটক ও আলোকচিত্রীরা যে এখানে আসেন না তা নয়। কিন্তু এই পাহাড়-জঙ্গল নিয়ে প্রকৃতি বাঁচিয়ে পর্যটন নিয়ে কোন পরিকল্পনা, এমনকি ভাবনা- চিন্তা ছিল না পূর্বতন তৃণমূল সরকারের। সাংসদের পরিদর্শনের পর পরিবেশ সংবেদনশীল বনাঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ নিশ্চিত করে টেকসই ও প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন গড়ে তোলার ভাবনা ও প্রাথমিক পরিকল্পনা শুরু হয়েছে প্রশাসনে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.