Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kalyani University

প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যেকেরই মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার মতো নির্দেশকে তাঁরা অসাংবিধানিক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে দাবি করেন।

সুবীর দাস
সুবীর দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ২১:৫০

link
সুবীর দাস
সুবীর দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ২১:৫০

options
link
প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে zoom
উত্তপ্ত কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি।
Advertisement

প্রশাসনিক ভবনের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রশাসনিক ভবনের ভিতরে কোনও ধরনের বিক্ষোভ, মিছিল বা কর্মসূচি করা যাবে না – মঙ্গলবার এই মর্মে নদিয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নোটিস জারি করা হয়। তারপর থেকেই তা প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হয় বিভিন্ন ছাত্র ও কর্মী সংগঠন।

এদিন দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের ঘরের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। নোটিসটি প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হয় পশ্চিমবঙ্গ কর্মচারী সংঘ, এবিভিপি এবং বিএমএস-এর সদস্যরা। দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ গড়ায় রাত পর্যন্ত। রেজিস্ট্রারের ঘরের বাইরে চলে প্রতিবাদ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ধরনের নোটিস জারি করেছে। তাঁদের দাবি, সংগঠনের প্রতিবাদ ও আন্দোলনকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে উপাচার্যের নির্দেশেই নোটিশ জারি হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যেকেরই মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার মতো নির্দেশকে তাঁরা অসাংবিধানিক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে দাবি করেন। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের জেরে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ নোটিসটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় বলে খবর।

তবে প্রশাসনিক ভবনের শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়টি বিবেচনা করে বিক্ষোভ ও কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দেওয়ার পক্ষেও মত উঠে এসেছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, নির্দিষ্ট স্থানে গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকলে একদিকে যেমন মতপ্রকাশের অধিকার বজায় থাকবে, তেমন অন্যদিকে প্রশাসনিক ভবনের স্বাভাবিক কাজকর্মও ব্যাহত হবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.