Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Chandranath Rath Murder Case

চন্দ্রনাথ খুনে উদ্ধার দ্বিতীয় বাইক, হত্যাকাণ্ডের ‘মিসিং লিঙ্কে’র খোঁজে উত্তরপ্রদেশে তদন্তকারীরা

আরেকটি চারচাকা গাড়ির সন্ধানে চলছে জোর তল্লাশি। ওই গাড়িতে আরও ৭-৮ জন আততায়ী ছিল বলেই প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। সেই গাড়িটি ভিনরাজ্যের বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৬:১৫

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৬:১৫

options
link
চন্দ্রনাথ খুনে উদ্ধার দ্বিতীয় বাইক, হত্যাকাণ্ডের ‘মিসিং লিঙ্কে’র খোঁজে উত্তরপ্রদেশে তদন্তকারীরা zoom
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া তথ্য পেল পুলিশ

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে (Chandranath Rath Murder Case) ব্যবহৃত দ্বিতীয় বাইকটিও উদ্ধার করল পুলিশ। আরেকটি চারচাকা গাড়ির সন্ধানে চলছে জোর তল্লাশি। ওই গাড়িতে আরও ৭-৮ জন আততায়ী ছিল বলেই প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। সেই গাড়িটি ভিনরাজ্যের বলেই মনে করা হচ্ছে। কে বা কারা এই খুনের ঘটনায় যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মিসিং লিঙ্কের খোঁজে উত্তরপ্রদেশে পাড়ি দিয়েছেন তদন্তকারীরা।

বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেটের কাছ থেকে বাইকটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। গাড়িটির নম্বর WB 24B M4052। এর আগে এয়ারপোর্টের আড়াই নম্বর গেট সংলগ্ন একটি আবর্জনার স্তূপের পাশ থেকে একটি বাইক ও চারচাকা গাড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটির রেজিস্ট্রেশন আসানসোলের বার্নপুরের জনৈক বিভাস ভট্টাচার্যের নামে। ২০১২ সালে বাইকটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল। কিন্তু ওই ঠিকানায় এখন বিভাস নামে কেউ থাকেন না। ২০১৪ সাল থেকে ওই ঠিকানায় রয়েছেন ধরমবীর কুমার নামে কারখানার এক কর্মী। চারচাকা গাড়িটিরও নম্বরপ্লেট ভুয়ো। গাড়িটি শিলিগুড়ির আরটিও-তে নথিভুক্ত। জানা গিয়েছে, গাড়ির মালিক তাঁর গাড়ি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন তবে গাড়িটি তাঁর কাছেই রয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ৬ মে, বুধবার রাতে নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক। তাঁকে পিছু ধাওয়া করে মধ্যমগ্রামে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানো হয়। মাত্র ৫০ সেকেন্ডের ‘অপারেশনে’ খুন আপ্ত সহায়ক। জখম চন্দ্রনাথের গাড়িচালক। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চন্দ্রনাথের গাড়ি অনুসরণ করেই হামলা চালানো হয়েছে। অপরাধের ধরন দেখে অনুমান, দীর্ঘদিন রেকির পর এই অপরাধ করা হয়েছে। ভিনরাজ্যের পেশাদার খুনি বা শার্প শুটার দিয়ে ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলেও অনুমান। ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতী যোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ, ঘটনার পরপরই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও অভিযুক্তদের খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, অলিগলি দিয়েই দুষ্কৃতীরা পালিয়েছে। এলাকায় পরিচিত কেউ জড়িত না থাকলে তা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে কেন খুন, তা নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.