অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) স্টেশনের পর এবার বাস টার্মিনাল! পাচারের আগে ফের উদ্ধার একদল যুবতী। রবিবার বিকালে ৩৪ জন যুবতীকে উদ্ধার করে প্রধাননগর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জন পুরুষ ও এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের নাম গৌতম রায়, পেত্রাস বেক ও জয়শ্রী পাল। এদের মধ্যে দু’জন শিলিগুড়ির ও একজন ডুয়ার্সের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকালে শিলিগুড়ি জংশন বাসস্ট্যান্ড থেকে এই যুবতীদের উদ্ধার করা হয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে ভিনরাজ্যে কাজে পাঠানোর নাম করে এই যুবতীদের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ এও জানতে পারে শিলিগুড়ি থেকে রাঁচি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁদের। তারপর সেখান থেকে তামিলনাড়ু নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় সকলকে।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই যুবতীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ ধৃতদের বিরুদ্ধে নারী পাচারের মামলা রুজু করেছে। এদিকে উদ্ধার হওয়া যুবতীদের থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে ওই যুবতীদের তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই ঘটনা নিয়ে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, “উদ্ধার হওয়া যুবতীদের আইনানুযায়ী বাড়ি পাঠানো হবে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।” সম্প্রতি এনজেপি স্টেশন থেকে ৫৬ জন যুবতীকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যেই বাসে করে যুবতীদের পাচার করার চেষ্টা করা হল। যদিও পুলিশি তৎপরতায় সেই ছক বানচাল হল। এনজেপির ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!