Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

আরও বিপাকে অভিষেক! সেবাশ্রয়ে ‘লাগামছাড়া দুর্নীতি’ নিয়ে মামলা রুজু পুলিশের

ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী একাধিক ধারায় দায়ের করা হয়েছে মামলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৪:১১

options
link
আরও বিপাকে অভিষেক! সেবাশ্রয়ে ‘লাগামছাড়া দুর্নীতি’ নিয়ে মামলা রুজু পুলিশের zoom
আরও বিপাকে অভিষেক! সেবাশ্রয়ে 'লাগামছাড়া দুর্নীতি' নিয়ে মামলা রুজু পুলিশের
Advertisement

সেবাশ্রয়ের ‘লাগামছাড়া দুর্নীতি’ নিয়ে এবার ডায়মন্ড হারবার থানার দ্বারস্থ  রায়নগরের বাসিন্দা সুকদেব দাস। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুসারে প্রতারণা, জালিয়াতি, ওষুধ ও প্রসাধনী আইন, পারমাণবিক শক্তি আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অর্থাৎ আরও বিপাকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে ৭৫ দিনব্যাপী স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প হিসেবে সেবাশ্রয় শুরু হয়। দরিদ্ররা বিনামূল্যে সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন। পরবর্তীতে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় সেবাশ্রয় (Sebaashray) ক্যাম্প করা হয়। দরিদ্র মানুষদের সুবিধায় অভিষেকের এই কর্মসূচি স্বাভাবিকভাবেই সকলের চোখে তাঁকে ‘হিরো’ করে তুলেছিল। সেই সেবাশ্রয়ই এখন চর্চায়। অভিযোগ, চিকিৎসার নামে লাগামছাড়া দুর্নীতি হয়েছে ওই ক্যাম্পে। হাতুড়ে চিকিৎসক দিয়ে মর্ডান চিকিৎসা, বেআইনিভাবে বিভিন্ন মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে আগে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। এবার অভিযোগ দায়ের করলেন রায়নগরের বাসিন্দা সুকদেব দাস। তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সাগরেদরা পরিকল্পনা করে বিভিন্ন স্থানে অনুমোদনহীন চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা করেছেন। সেখানে প্রতারণা, জালিয়াতি, অবৈধভাবে পরিষেবা প্রদান, বেআইনিভাবে ওষুধ ও রোগনির্ণয়ের যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয়েছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেক-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুসারে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, প্রতারণা, জালিয়াতি, ওষুধ ও প্রসাধনী আইন, পারমাণবিক শক্তি আইন, জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন আইন, পিসিপিএনডিটি আইন এবং পশ্চিমবঙ্গ ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইনে মামলা হয়েছে। ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিওর নেতৃত্বে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

Advertisement

উল্লেখ্য, সেবাশ্রয়ে (Sebaashray) থাকা এক চিকিৎসক আগেই ক্যাম্পের বেনিয়ম নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, সেবাশ্রয়ে চিকিৎসা হত বিনামূল্যে। কিন্তু ঘুরপথে রোগীদের থেকে আদায় করা হত মোটা টাকা। কীভাবে? ওই চিকিৎসক জানান, সেবাশ্রয়ে রোগীদের এমআরএই, সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেওয়া হত। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলো স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তাই চিকিৎসকরা প্রেসক্রিপশনে এই ধরণের পরীক্ষা লিখে দিলেই ময়দানে নামতেন সেবাশ্রয়ে থাকা বিভিন্ন হাসপাতালের মার্কেটিং বিভাগের কর্মীরা। তাঁদের দায়িত্ব ছিল, রোগীদের বুঝিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা। এরপর রোগীরা কেউ হাঁটু ব্যথা, কেউ অন্য কোনও সমস্যা দেখিতে ভর্তি হতেন হাসপাতালে। ১০-১২ দিন ভর্তি রাখায় চড়চড়িয়ে বাড়ত বিল। তা কাটা হতো স্বাস্থ্যসাথী ফান্ড থেকে। অর্থাৎ ঘুরপথে সরকারি প্রকল্পের টাকা চলে যেত অভিষেকের কাছে! 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.