Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Jahangir Khan

একের পর এক অভিযোগে পুলিশের জালে জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ ইস্রাফিল, এবার নজরে পুষ্পা?

ধৃতের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, ভয় দেখানো, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৩:২৪

link
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
একের পর এক অভিযোগে পুলিশের জালে জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ ইস্রাফিল, এবার নজরে পুষ্পা? zoom
ধৃত জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা।
Advertisement

গত ২১ মে ফলতায় নির্বাচন ছিল। তার আগে হঠাৎ করে ভোটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan)। এরপর থেকেই ‘নিখোঁজ’ তিনি। আশঙ্কা রয়েছে যে কোনও সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন জাহাঙ্গির। এরমধ্যেই পুলিশের জালে ইস্রাফিল চকদার। বুধবার গভীর রাতে ফলতা থানার হাসিমনগর এলাকা থেকে জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, ভয় দেখানো, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

ধৃত ইসরাফিল বঙ্গ নগর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান। গত ২৯ এপ্রিল ভোটের পর বঙ্গনগর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হাসিম নগর এলাকায় পরপর দুদিন লাগাতার বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মহিলারা। একেবারে রাস্তা আটকে চলে বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ছিল, ধৃত ইসরাফিলের নেতৃত্বেই তৃণমূল মদতপুষ্ঠ দুষ্কৃতীরা তাঁদের ভোটদানে বাধা দিয়েছে। বেরতে দেওয়া হয়নি বাড়ি থেকেও। পড়েছে ছাপ্পা ভোট। এছাড়াও ইসরাফিলের বিরুদ্ধে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন মহিলারা। ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে হাসিমনগরের সেই আন্দোলন থেকেই। তারপর নির্বাচন কমিশন আরও বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে ফলতার ভোট পুরোপুরি বাতিল করে দেয়। গোটা ফলতা বিধানসভাতেই গত ২১ মে ফের নির্বাচন হয়। লক্ষাধিক ভোটে জয়লাভ করেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। ভোটের ফলাফলে চতুর্থ স্থানে থেকে জামানত জব্দ হয় জাহাঙ্গীর খানের। এরপরেই শুরু হয়েছে ধরপাকড়। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে হাসিমনগর এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত ওই পঞ্চায়েত প্রধান ইস্রাফিল চকদারকে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে ডায়মন্ডহারবার এসিজেএম আদালতে তোলা হবে। 

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি নেতা নাসির শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফলতার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারখানার শ্রমিকদের কাছ থেকে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা স্পেশাল ইকোনমিক জোনে একটি কারখানায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা, তোলাবাজি ও তোলা না দিলে বেআইনিভাবে শ্রমিকদের কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ রয়েছে আইএনটিটিইউসি নেতা নাসির শেখের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের ওই নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন শ্রমিকরা। অভিযোগ পেয়েই রামনগর থানার পুলিশ ওই তৃণমূল নেতাকে প্রথমে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় ও পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। একের পর এক তৃণমূল নেতার গ্রেপ্তারের পরেই প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তাহলে পুলিশের নজরে ফলতা পুষ্পা? ইতিমধ্যে তাঁর রক্ষাকবচ তুলে নিয়েছে হাই কোর্ট। তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, ভোটের আগের দিন থেকে বেপাত্তা জাহাঙ্গির।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.