Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Barasat

বারাসতে সোনার দোকানে চুরির কিনারা, গ্রেপ্তার পিএইচডি ডিগ্রিধারী সহকারি অধ্যাপক!

চুরির সোনা কেনার অভিযোগে ধৃত আরও এক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১৮:১১

options
link
বারাসতে সোনার দোকানে চুরির কিনারা, গ্রেপ্তার পিএইচডি ডিগ্রিধারী সহকারি অধ্যাপক! zoom
ধৃত অভিযুক্ত।

অর্ণব দাস, বারাসত: দিন কয়েক আগে বারাসতের আমডাঙায় সোনার দোকানে চুরির অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গ্রেপ্তার করা হল এক সহকারী অধ্যাপককে। তিনি শিক্ষাগত ক্ষেত্রেও উচ্চশিক্ষিত। পিএইচডি ডিগ্রিধারী বলে জানা গিয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতের নাম নির্মাল্য ভাদুড়ী। অভিযুক্ত ক্লেপ্টোম্যানিয়া নামক মানসিক রোগে আক্রান্ত বলেও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে আমডাঙার সোনার দোকানে চুরি হয়েছিল। আমডাঙার গাদামারা হাট এলাকার একটি সোনার দোকান থেকে সোনার আংটি চুরি হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, অভিযুক্ত দোকানে গিয়ে নিজেকে শিক্ষক পরিচয় দিয়ে সোনার গয়না কিনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কিছু কেনাকাটা না করে বেরিয়ে যান। পরে দোকানি বুঝতে পারেন, সোনার আংটি উধাও হয়ে গিয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে আমডাঙা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়। অভিযুক্তের খোঁজ পেতে রীতিমতো কালঘাম ছোটে বারাসত জেলা পুলিশের। শেষপর্যন্ত দক্ষিণেশ্বর থেকে তাঁকে পাকড়াও করা হয়।

Advertisement

আর সেখানেই কার্যত তাজ্জব হয়ে যান তদন্তকারীরা। জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম নির্মাল্য ভাদুড়ী। তিনি একটি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। শিক্ষাগত ক্ষেত্রে তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী। তাঁর পরিবারের আর্থিক সমস্যাও নেই। চুরি করার কোনও কারণ প্রাথমিকভাবে খুঁজে পাচ্ছিলেন না তদন্তকারীরা। পরে পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যক্তি ক্লেপ্টোম্যানিয়া নামক মানসিক রোগে আক্রান্ত। কিন্তু কী এই রোগ? ক্লেপ্টোম্যানিয়া রোগে আক্রান্তরা কোনও জিনিস না বলে হস্তগত করায় মরিয়া হয়ে ওঠে। বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই রোগে আক্রান্তরা বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে চলে যান। এক্ষেত্রেও কি তেমন কিছু ঘটেছে? পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

জানা গিয়েছে, চুরি যাওয়া আংটি হুগলির চণ্ডীতলা এলাকার বাসিন্দা শেখ আবদুল আজিমকে বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। উত্তরপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ, শুক্রবার বারাসতের এসডিপিও বিদ্যাগর আজিংকা অনন্ত চুরির কিনারা করে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টি জানিয়েছেন। ধৃতদের এদিন বারাসত আদালতে তোলা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.