Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

গত ২৯ জুন, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’। যা সংক্ষেপে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৯:১০

options
link
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর zoom
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, বললেন শুভেন্দু

রাজ্য বিধানসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়েছে গুন্ডাদমন বিল। আগামী সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে লাগু হবে আইন। শুক্রবার বহরমপুরে দাঁড়িয়ে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তার ফলে আর কোনওদিন সামশেরগঞ্জ কিংবা ধুলিয়ানের মতো ঘটনা ঘটবে না বলেই ‘আত্মবিশ্বাসী’ মুখ্যমন্ত্রী।

২০১৯ সালে সিএএ পাশের পর বাংলায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়ায় ব্যাপক অশান্তির পরিবেশ কৈরি হয়। প্রতিবাদের নামে বেশ কিছু জায়গায় ট্রেন, বাস এবং সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাজ্যে পালাবদলের পর সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। বহরমপুরে দাঁড়িয়ে সেই প্রসঙ্গে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “রেল, বাস জ্বালানো, পুলিশকে মারা – এসব অতীত। নারী সুরক্ষা, পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে। মামলাগুলির বিচার দ্রুত হবে। সামসেরগঞ্জ, ধুলিয়ানে যা হয়েছে, সেসব আর হবে না। হলেই কড়া ব্যবস্থা। মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, নিয়ম মেনে সমস্ত প্রক্রিয়া হয়ে গিয়েছে। আগামী সোমবার থেকেই রাজ্যজুড়ে লাগু গুন্ডাদমন আইন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ২৯ জুন, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’। যা সংক্ষেপে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত। বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশন চাইলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণের চেয়েও দ্বিগুণ ‘দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ’ বা জরিমানা চাপাতে পারে। এখানেই শেষ নয়, বর্তমানে যে আইন রয়েছে তা অন্তত এই বাংলায় আইনের শাসন কায়েম করে রাখার পক্ষে যথেষ্ট নয়। বিলে পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থাকে বিপুল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কারণ তৃণমূল জমানায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ, গুন্ডামি যে চরম মাত্রায় পৌঁছেছিল তা ঠাণ্ডা করতে বাড়তি দাওয়াই দরকার। প্রস্তাবিত নতুন বিল হল সেই দাওয়াই।

বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে বা মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে, এমন সব কাজই সমাজবিরোধী কাজের সংজ্ঞার মধ্যে আনা যাবে। এর মধ্যে রাখা হয়েছে-শৃঙ্খলা নষ্ট করা, মানুষের জীবন বা সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করা, আইনসম্মত ব্যবসা-বাণিজ্য বা পেশায় বাধা দেওয়া, বেআইনি ভাবে কারও স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দখল করা, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করা, খনি, বালি, পাথর বা প্রাকৃতিক সম্পদ বেআইনি ভাবে উত্তোলন করা, বন্যপ্রাণী বা বনজ সম্পদের ক্ষতি করা। অর্থাৎ, শুধু রাজনৈতিক হিংসা নয়, তোলাবাজি, জমি দখল, সিন্ডিকেট, বেআইনি খনি বা বালি কারবার, সম্পত্তি ভাঙচুর, ব্যবসায় বাধা – সবকিছুকেই এই আইনের আওতায় আনার রাস্তা খুলে রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.