দলই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির চেয়ারে বসিয়েছিল। কিন্তু তিনি নামমাত্রই সভাপতি ছিলেন, জনগণের জন্য কোনও কাজ করতে পারেননি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমনই সব অভিযোগ তুলে,নিজেকে নিধিরাম সর্দারের সঙ্গে তুলনা করে পদত্যাগ করলেন মালদহের বামনগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পারুল কুজুর ওঁরাও। দল নিয়ে তাঁর এহেন অভিযোগের কড়া সমালোচনা করে তৃণমূল নেতার পালটা কটাক্ষ, এতদিন তিনি শুধু মধু খেয়েছেন, দলের অসময়ে পদত্যাগ করছেন। এরপর পারুলকে নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাই পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
শনিবার নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান বিদায়ী সভাপতি পারুল কুজুর। তিনি বলেন, ‘‘আমি ভোটে জেতায় দল আমাকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসিয়েছিল। কিন্তু আমি শুধু চেয়ারে বসে থাকতাম। পঞ্চায়েত সমিতির অধিকাংশ কাজ পরিচালনা করতেন বামনগোলা ব্লক তৃণমূলের নেতারা। আমি নামমাত্র সভাপতি ছিলাম। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাইনি। বিধানসভা ভোটে দলের খারাপ ফলাফলের পর আর কোনও নেতা আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি। তাই এই পরিস্থিতিতে সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম। আমার ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় প্রশাসনিক স্তর অর্থাৎ পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলিতে ভাঙনের মুখে পড়ে। একে একে পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে পুরসভার চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরদের পদত্যাগে বোর্ড ভেঙে যেতে থাকে। গত ২ জুলাই মালদহের তৃণমূল পরিচালিত বামনগোলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পারুল কুজুর ওঁরাও নিজের ইস্তফাপত্র পাঠান বিডিও দপ্তরে। সেখান থেকে তা ফরোয়ার্ড করা হয় মালদহ সদর মহকুমাশাসকের দপ্তরে পাঠানো হয়। সেখান থেকে পারুল কুজুর ওঁরাওকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। শুনানি শেষে শুক্রবার তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
শনিবার নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান বিদায়ী সভাপতি পারুল কুজুর। তিনি বলেন, ‘‘আমি ভোটে জেতায় দল আমাকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসিয়েছিল। কিন্তু আমি শুধু চেয়ারে বসে থাকতাম। পঞ্চায়েত সমিতির অধিকাংশ কাজ পরিচালনা করতেন বামনগোলা ব্লক তৃণমূলের নেতারা। আমি নামমাত্র সভাপতি ছিলাম। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাইনি। বিধানসভা ভোটে দলের খারাপ ফলাফলের পর আর কোনও নেতা আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি। তাই এই পরিস্থিতিতে সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম। আমার ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে।”
তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ তাঁর এই সিদ্ধান্ত এবং দল নিয়ে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তাঁর কথায়, “দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকার পর এখন হঠাৎ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বিবেচিত হবে। এতদিন তিনি শুধু মধু খেয়েছেন, দলের অসময়ে তিনি পদত্যাগ করছেন! পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাই পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।” বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রতাপ সিং বলেন, “এটি তৃণমূল দল ও প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই এ নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। এখন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, প্রশাসনই নেবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘সাবধান! ভুলেও অপরিচিতের সঙ্গে যাবে না’, বারুইপুর থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতার পাঠ হাওড়ার স্কুলে
-
৬০০-র বেশি ক্ষুব্ধ জনতার হামলা, একের পর এক বাড়িতে আগুন! ফের রণক্ষেত্র মণিপুর
-
বেঙ্গালুরু থেকে রাতে ফিরেছিল, সকালে বাড়ির কাছেই আমবাগানে পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ!
-
‘৪০ বছর ধরে বিজেপি করি’, বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে চা-ও খেলেন না নীলাদ্রিশেখর!
-
সকালে নিখোঁজ, বেলায় পুকুরে মিলল ৩ বছরের শিশুর দেহ! সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর পরিবার