Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Mutton Biryani

বিরিয়ানিতে বিষ! নদিয়ায় অসুস্থ ৩০ জনেরও বেশি, অনেকে ভর্তি হাসপাতালে

বুধবার সকাল থেকে অসুস্থদের একাংশকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২১:৫০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২১:৫০

options
link
বিরিয়ানিতে বিষ! নদিয়ায় অসুস্থ ৩০ জনেরও বেশি, অনেকে ভর্তি হাসপাতালে zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

বিরিয়ানি খেয়ে একসঙ্গে ৩০ জনেরও বেশি অসুস্থ! এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার তাহেরপুরে। স্থানীয় একটি পরিচিত বিরিয়ানি দোকানকে ঘিরে এমনই অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ, ওই দোকানের বিরিয়ানি খাওয়ার পর গত কয়েক দিন ধরে শিশু থেকে বয়স্ক—বিভিন্ন বয়সের একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বুধবার সকাল থেকে অসুস্থদের একাংশকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। একসঙ্গে বহু রোগী হাসপাতালে পৌঁছনোয় বেড পাওয়া নিয়েও সমস্যার তৈরি হয়। অসুস্থদের একাংশের দাবি, বিরিয়ানি খাওয়ার পরই তাঁদের শরীরে অসুস্থতার উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁদের অভিযোগ, খাবারটি বাসি ছিল নাকি রান্নার সময় কোনও ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা দরকার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই দোকানে অত্যন্ত কম দামে মটন বিরিয়ানি বিক্রি হয়। বিরিয়ানিতে আদৌ মটনের মাংস ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি, বিরিয়ানিতে এমন কোনও উপাদান মেশানো হচ্ছে কি না, যার ফলে বার বার ওই খাবার খেতে ইচ্ছা করে—এমন সন্দেহও প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। যদিও এই অভিযোগের কোনও প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। বিরিয়ানিতে নেশাজাতীয় বা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর কোনও পদার্থ মেশানো হয়েছে কি না, তা পরীক্ষার আগে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

খাদ্য দপ্তর এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দোকান থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানোরও দাবি উঠেছে। খাবার তৈরি সময় কী কী উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সংরক্ষণ পদ্ধতি কী এবং দোকানে খাদ্য নিরাপত্তার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখতে বলছেন অসুস্থরা। তাঁরা চাইছেন, দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হোক। এই ঘটনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিরিয়ানির দোকান ড্রিমল্যান্ডের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনও সদুত্তর মেলেনি। ফলে ঠিক কী কারণে এত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লেন, বিরিয়ানির সঙ্গে তাঁদের অসুস্থতার আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.