Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jhalda

একমাত্র শিক্ষক বিএলও! তালাবন্ধ ঝালদার প্রাথমিক বিদ্যালয়

ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ০৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ০৯:৩১

options
link
একমাত্র শিক্ষক বিএলও! তালাবন্ধ ঝালদার প্রাথমিক বিদ্যালয় zoom
বন্ধ রয়েছে স্কুল। নিজস্ব চিত্র

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক কমিশনের বিএলও! তাই বন্ধ স্কুলের দরজা। সোম-মঙ্গলবার দু’দিন খোলেনি ঝালদা এক নম্বর ব্লকের তুলিন বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়। সকাল থেকে বিকেল স্কুলের দরজায় তালা ঝুলছে। প্রায় একই ছবি এই ব্লকের চৌপদ প্রাথমিক বিদ্যালয়েও। ওই স্কুলের একমাত্র শিক্ষক একবেলা স্কুল করছেন। আরেক বেলা বিএলওর ডিউটি করায় বন্ধ রাখতে হচ্ছে বিদ্যালয়। ফলে পঠনপাঠন শিকেয় উঠেছে।

যে স্কুলগুলিতে একজন করে শিক্ষক রয়েছেন, সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে। তবে এই স্কুলগুলিতে যাতে পঠনপাঠন বন্ধ না হয়, সেজন্য মঙ্গলবারই পুরুলিয়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি তথা বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন এক আদেশনামায় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকদেরকে জানিয়েছেন। যে স্কুলগুলিতে একজন করে শিক্ষক রয়েছেন, সেই স্কুল সন্নিহিত বিদ্যালয়গুলি থেকে সেখানে শিক্ষক পাঠাতে হবে। যাতে বিএলওর কাজে থাকা শিক্ষকদের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠনে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Advertisement
only teacher is BLO, Jhalda Primary School locked down
বিএলও হিসেবে কাজ করছেন শিক্ষক। নিজস্ব চিত্র

নির্বাচন কমিশন এসআইআরের কারণে শিক্ষকদেরকে বিএলও হিসাবে নিয়োগ করলেও এই মর্মে কমিশন শিক্ষা দপ্তরকে কোনও চিঠি দেয়নি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি পুরুলিয়ায় একটি সরকারি অনুষ্ঠানে এসে কমিশনকে বিঁধেছিলেন রাজ্যের বিদ্যালয় শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তুলিন বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক রোহিতকুমার সাহু এদিন বিএলওর কাজে এলাকার বাড়ি বাড়ি যান। গত সোমবার তিনি প্রশাসনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। তাই স্কুল তালা বন্ধ রাখতে হয়। এদিনও একই পরিস্থিতি। ছাত্রছাত্রীরা পরপর দু’দিন স্কুলে গিয়ে তালা বন্ধ দেখে বাড়ি চলে আসে।

ওই শিক্ষকের কথায়, ‘‘এই স্কুলে একমাত্র আমিই শিক্ষক। অথচ আমারও বিএলওর ডিউটি পড়েছে। তাই আমি শিক্ষা দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছি।’’ চৌপদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শশীকলা মাহাতো বলেন, ‘‘আমার স্কুলেও আমি একমাত্র শিক্ষিকা। এক বেলা স্কুল করছি। আরেক বেলা বিএলওর কাজ করছি।’’ পঠনপাঠনে সমস্যা হওয়ায় জেলাজুড়ে ভীষণই ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। পুরুলিয়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক কানাইলাল বাঁকুড়া বলেন, “এই সমস্যা আর থাকবে না। যে স্কুলে একজন করে শিক্ষক রয়েছেন। সেখানে পাশের স্কুল থেকে শিক্ষক যাবেন। এই বিষয়ে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকদেরকে জানানো হয়েছে সভাপতি-র আদেশনামার ভিত্তিতে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.