অর্ণব দাস, বারাকপুর: ফের জোড়া ‘আত্মহত্যা’। ঘর থেকে উদ্ধার বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ! শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সোদপুরের ঘোলা থানার অন্তগর্ত মহেন্দ্রনগর থানা এলাকায়। বিষয়টি সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়। কী কারণে দম্পতির মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা। পুলিশ তদন্ত করে সত্যি বার করুক বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শেখর সামন্ত ও মণিকা সামন্ত। তাঁরা মহেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা। শেখরবাবু চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের মেয়ে বাইরে থাকেন। তবে দম্পতির বাড়িতে যাতায়াত ছিল শেখরবাবুর ভাই ও তাঁর পরিবারের। শনিবার রাতে শেখরবাবুর ভাইপো তাঁদের বাড়ি যায়। এলাকায় লোডশেডিং থাকায় পুরো বাড়ি অন্ধকার ছিল। ভাইপো মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালাতেই প্রথমে মণিকাদেবীর দেহ দেখতে পায়। ছুঁটে গিয়ে খবর দেয় পরিবারকে। বাকি সদস্যরা এসে মণিকাদেবীর পাশেই শেখরবাবুকে দেখতে পারেন।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ঘোলা থানার পুলিশ। দেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
শেখরবাবুর ভাই সুনীল সামন্ত বলেন, “আমার শ্বশুরমশাই মারা গিয়েছেন কয়দিন হল। আমরা সেখানেই ব্যস্ত ছিলাম। শনিবার রাতে আমার ছেলে দাদার বাড়িতে যায়। তখনই বউদির দেহ দেখতে পেরে আমাদের জানায়। পরে ওই ঘরেই দাদার দেহ উদ্ধার হয়। কেন এমনটা হল কিছুই বুঝতে পারছি না। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।” পাড়া প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, শেখরবাবু ও তাঁর স্ত্রী খুবই শান্ত স্বভাবের ছিলেন। কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা ছিল না। এহেন দু’টি মানুষের আকস্মিক মৃত্যুতে অবাক তাঁরা। আত্মহত্যা না কি খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আত্মহত্যা করলে কেন তাও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
হেপাইটাইটিস বি পজিটিভ রোগীর ত্বকে সফল অস্ত্রোপচার, অসাধ্য সাধন দেবেন মাহাত মেডিক্যালের চিকিৎসকদের
-
জোড়া গোলে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কেন, শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড, বিশ্বকাপে কঙ্গোর রূপকথায় ইতি
-
অযোধ্যা পাহাড়ের হোটেলে গা ঢাকা দিয়েও হল না শেষরক্ষা, কীভাবে এসটিএফের জালে অদিতির স্বামী দেবরাজ?
-
খাস কলকাতায় নাবালিকাকে ‘গণধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২ অভিযুক্ত
-
ঠেকেও শিখল না ভারত! ইংল্যান্ডেও হল না বৈভবের অভিষেক, শ্রেয়সের প্রথম একাদশে কারা?