Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
NSG

সন্দেশখালির হোটেলে জঙ্গিদের হাতে পণবন্দি পর্যটকরা, এলাকা ঘিরল এনএসজি! হতবাক স্থানীয়রা

গত কয়েকদিন আগে এনএসজি এবং কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা বিষয়টি পর্যালোচনা করে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৭:৩৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৭:৩৫

options
link
সন্দেশখালির হোটেলে জঙ্গিদের হাতে পণবন্দি পর্যটকরা, এলাকা ঘিরল এনএসজি! হতবাক স্থানীয়রা zoom
সন্দেশখালিতে মহড়ায় এনএসজি।
Advertisement

ফের সংবাদ শিরোনামে সন্দেশখালি! ভরদুপুরে গোটা এলাকা ঘিরে ফিরল এনএসজি। যেন সিনেমার দৃশ্য! শাহজাহান নয়, জঙ্গি ধরতে তুমুল তোড়জোড়! শুধু তাই নয়, সেখানকার একটি হোটেলকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলেন ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ডের সদস্যরা। যা নিয়ে একেবারে হইচই পড়ে যায় এলাকায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সন্দেশখালির পুলিশ। একেবারে টানটান উত্তেজনা। এমন ছবি দেখে রীতিমতো ভিড় জমে যায় স্থানীয় মানুষজনের। সবার চোখেমুখে একটাই প্রশ্ন, হচ্ছেটা কী? ওই হোটেলে কারা লুকিয়ে? জঙ্গি? পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে ত্রাস শেখ শাহজাহানের নামেই কাঁপত গোটা সন্দেশখালি। সেখানেই জঙ্গিঘাঁটি! ব্যাপারটি কী।

গত কয়েকদিন আগে এনএসজি এবং কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তিনদিন ধরে কালীঘাট মন্দির চত্বরে বিশেষ নজরদারি বা রেইকি পরিচালনা করেন এনএসজি জওয়ানরা।

এদিন সন্দেশখালিতে বিশেষ মকড্রিল চালায় এনএসজি। সন্দেশখালির থানার কাছে খবর আসে ধামাখালির একটি হোটেলে বেশ কিছু পর্যটকদের অপহরণ করে রেখেছে জঙ্গি! এরপরেই ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড অর্থাৎ এনএসজিকে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ধামাখালির ওই গেস্ট হাউস ঘিরে ফেলে এনএসজির জওয়ানরা। একেবারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এনএসজির সেই দল হোটেলের মধ্যে প্রবেশ করে। সেখানে গিয়ে পর্যটকদের উদ্ধার করার পাশাপাশি জঙ্গিদের ধরে ফেলে। ভর দুপুর সন্দেশখালির এনএসজির বিশেষ এই মহড়া দেখে রীতিমতো ভিড় জমে যায় স্থানীয়দের।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে এনএসজি এবং কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তিনদিন ধরে কালীঘাট মন্দির চত্বরে বিশেষ নজরদারি বা রেইকি পরিচালনা করেন এনএসজি জওয়ানরা। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষের কী কী ব্যবস্থাপনা রয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্যও এনএসজি আধিকারিকরা নেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে রাজ্যে একাধিক পাক এজেন্ট সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বদলের বাংলায় রাজ্যের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চায় না শুভেন্দু অধিকারী সরকার। এহেন পরিস্থিতিতে সন্দেশখালিতে এনএসজির মহড়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.