Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flash Flood

ভিসা পরীক্ষায় ১৫ মিনিট দেরিই বাঁচাল প্রাণ! নেপাল বিপর্যয়ে অক্ষত বসিরহাটের প্রবীণ দম্পতি

নেপাল থেকে 'সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল'কে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন প্রাক্তন শিক্ষক।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৭:০৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৭:০৯

options
link
ভিসা পরীক্ষায় ১৫ মিনিট দেরিই বাঁচাল প্রাণ! নেপাল বিপর্যয়ে অক্ষত বসিরহাটের প্রবীণ দম্পতি zoom
নেপাল বিপর্যয় থেকে বরাতজোরে রক্ষা বসিরহাটের দম্পতি অনুকূল পোদ্দার ও রেবা পোদ্দারের। নিজস্ব ছবি

সৌভাগ্য নাকি সময়চক্রের নিখুঁত অঙ্ক? কীসের সহায়ে নেপালের এত বড় বিপর্যয়ের মাঝেও সম্পূর্ণ অক্ষত বসিরহাটের শিক্ষক দম্পতি, তা কেউ জানেন না। কিন্তু তাঁরাই এখন আশার আলো রাজ্যের নিখোঁজ ৩৭ টি পরিবারের কাছে। হিমবাহ হ্রদ ভাঙা জলের তোড় আর হড়পা বানের জোড়া বিপদে একেবারে তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেখানে বেড়াতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৩৯ জন নিখোঁজ হয়ে যান। কিন্তু পরে ২ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’ থেকে ফোনে যোগাযোগ করা হয় বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনুকূল পোদ্দারের সঙ্গে। জানা যায়, তাঁরা সকলে ভালো আছেন, ট্রেনে রবিবার সকালে কলকাতায় ফিরবেন। সেইসঙ্গে এও জানালেন কীভাবে তাঁরা এত বড় দুর্যোগের হাত থেকে বেঁচেছেন।

অনুকূলবাবুকে ফোনে যোগাযোগ করেছিল ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’। অবশ্য বেশিক্ষণ কথা বলেননি তিনি। শুধু এটুকু জানান, ‘‘আমরা সবাই ভালো আছি। কোনও সমস্যা নেই। হোটেলে আছি। ট্রেনে করে ফিরব, রবিবার সকালে কলকাতা পৌঁছব। তারপর সব কিছু বলব। এখন আর কথা বলতে পারছি না।” এও জানিয়েছেন, যে গ্রুপের সঙ্গে তাঁরা বেড়াতে গিয়েছিলেন, তাঁরা সকলে ভালো এবং নিরাপদে আছেন।

মাত্র ১৫ মিনিট। এই ১৫ মিনিটের ব্যবধানই বড় বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতি অনুকূল পোদ্দার ও রেবা পোদ্দার। কথা ছিল, নেপাল হয়ে মানস সরোবর যাত্রা করবেন। বুধবার সকালে তাঁরা চিন সীমান্তে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে তাঁদের ভিসা পরীক্ষার জন্য বেশ কিছুটা সময় লাগে। ফলে যে গাড়িতে তাঁদের মানস সরোবর যাওয়ার কথা ছিল, সেই গাড়ি ছেড়ে দেয়। তাতে উঠতে পারেননি অনুকূলবাবু ও রেবাদেবী। পরের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে করতেই মহাপ্রলয়ের খবর তাঁদের কানে পৌঁছয় এবং সেখানে না গিয়ে ফেরার পরিকল্পনা করেন।

Advertisement
বসিরহাট ৭ নং ওয়ার্ডের কাছারিপাড়ার এই বাড়ি অনুকূল ও রেবা পোদ্দারের, নিজস্ব ছবি

এসবই জানিয়েছেন বসিরহাটের কাছাড়িপাড়ার বাসিন্দা অনুকূলবাবুর প্রতিবেশী দিলীপকুমার দত্ত। ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন অনুকূলবাবু। দিলীপবাবুর কথা অনুযায়ী, ‘‘ওঁকে আমি ফোন করেছিলাম। বলেছেন, মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য ওঁরা খুব বড় বিপদ থেকে বেঁচে গিয়েছেন। ট্রেনে বাড়ি ফিরবেন, রবিবার কলকাতা পৌঁছবেন। তারপর সব কথা বলবেন। ভগবানের আশীর্বাদ সঙ্গে ছিল। ওঁরা খুব ভালো মানুষ। অক্ষত অবস্থায় যে ফিরতে পারছেন, এটা অনেক বড় ব্যাপার।”

বসিরহাটে অনুকূলবাবুর প্রতিবেশী দিলীপকুমার দত্ত, তাঁকে ফোনে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন অনুকূলবাবু, নিজস্ব ছবি

অনুকূলবাবুকে ফোনে যোগাযোগ করেছিল ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’। অবশ্য বেশিক্ষণ কথা বলেননি তিনি। শুধু এটুকু জানান, ‘‘আমরা সবাই ভালো আছি। কোনও সমস্যা নেই। হোটেলে আছি। ট্রেনে করে ফিরব, রবিবার সকালে কলকাতা পৌঁছব। তারপর সব কিছু বলব। এখন আর কথা বলতে পারছি না।” এও জানিয়েছেন, যে গ্রুপের সঙ্গে তাঁরা বেড়াতে গিয়েছিলেন, তাঁরা সকলে ভালো এবং নিরাপদে আছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.